পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট চট্টগ্রামের অতিরিক্ত উপকমিশনার আসিফ মহিউদ্দীন প্রথম আলোকে বলেন, ভুক্তভোগী তরুণীর বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন তাঁর দূরসম্পর্কের আত্মীয় আবু সুফিয়ান। পরে কৌশলে ওই তরুণীর গোসলের দৃশ্য মুঠোফোনে ধারণ করেন তিনি। এরপর ওই তরুণীকে নানাভাবে হয়রানি করেন আবু সুফিয়ান। একপর্যায়ে ওই তরুণীর কাছে টাকা দাবি করেন তিনি। ওই তরুণী এ পর্যন্ত ২৫ হাজার টাকা দিয়েছেন সুফিয়ানকে।

আসিফ মহিউদ্দীন বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণী বাকলিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন। ভুক্তভোগীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কাউন্টার টেররিজম ইউনিট এ ঘটনার তদন্ত করে।

পরে এ ঘটনায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়। এই মামলায় গ্রেপ্তার আসামি আবু সুফিয়ানকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।