লালবাগে টি–শার্ট বিক্রেতা রাফি হত্যা ঘিরে উঠে এল মাদক কারবারির নাম

রাফি হোসাইন হত্যা মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশছবি: ডিএমপি নিউজ

রাজধানীর লালবাগের শহীদনগরে অনলাইনে টি–শার্ট বিক্রেতা রাফি হোসাইন হত্যায় জড়িত অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত তিন দিনে ঢাকা ও কক্সবাজারে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গ্রেপ্তার একজনের তথ্যের ভিত্তিতে ৯টি উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন শাহাবুদ্দিন, রেজাউল ও মো. ইমন ওরফে বাবুর্চি ইমন।

পুলিশ বলছে, শহীদনগরের মাদক কারবারি মনিরের সঙ্গে বিরোধের জেরে তাঁর সহযোগী ব্যক্তিরা রাফিকে গুলি করে হত্যা করেন।

১৪ মে রাতে রাজধানীর লালবাগের শহীদনগর এলাকায় রাফি হোসাইনকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। পরে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০ মে সকালে মারা যান। ঘটনার দিন রাত সোয়া আটটার দিকে ‘কিশোর গ্যাং’য়ের কয়েকজন সদস্য শহীদনগর ৩ নম্বর গলিতে এসে রাফির বন্ধু সজীবের কাছে জানতে চায়—‘শাহীন কোথায়’। তখন তিনি জানেন না বলে জানালে দুর্বৃত্তরা তাঁকে মারধর করে। এরপর সজীব তাঁর বন্ধু একই এলাকার বাসিন্দা রাফিকে ডেকে নিয়ে এলে দুর্বৃত্তদের একজন রাফির পিঠের ডান পাশে গুলি করে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) লালবাগ বিভাগের উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার সময় হামলাকারী হিসেবে মাদক কারবারি মনিরের তিন সহযোগীর নাম বলেছিলেন রাফি। সেই তথ্যের ভিত্তিতে ১৮ মে রাজধানীতে অভিযান চালিয়ে শাহাবুদ্দিন ও রেজাউলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের দেওয়া তথ্য ও গোপন খবরের ভিত্তিতে পুলিশ মনিরের আরেক সহযোগী ইমনের অবস্থান শনাক্ত করে। গত বুধবার কক্সবাজার সদর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. ইমন ওরফে বাবুর্চি ইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ইমনের দেওয়া তথ্য ও তাঁর উপস্থিতিতে কেরানীগঞ্জের একটি বাসা থেকে ৯টি গুলি উদ্ধার করা হয়। তবে হামলায় ব্যবহৃত পিস্তলটি পাওয়া যায়নি।