ঢাকায় ‘মব’ করে আইনজীবী নাঈমকে হত্যায় একজন গ্রেপ্তার

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ‘মব’ করে আইনজীবী নাঈম কিবরিয়াকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার মো. জোবায়ের হোসেনছবি: র‍্যাবের সৌজন্যে।

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ‘মব’ করে আইনজীবী নাঈম কিবরিয়াকে হত্যার মামলায় মো. জোবায়ের হোসেন (২৯) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১। আজ রোববার ঢাকার বারিধারা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‍্যাবের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৭ ডিসেম্বর নাঈম কিবরিয়া (৩৫) তাঁর আত্মীয় মো. রাকিবুল ইসলামের (শামীম) নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানার পূর্ব হাটাবো (নাগদা) এলাকার বাড়িতে বেড়াতে যান। ঘটনার দিন ৩১ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক নয়টার দিকে নাঈম তাঁর আত্মীয়ের ব্যবসায়িক অংশীদার মো. মোতালেব মিয়ার প্রাইভেট কার (ঢাকা মেট্রো-গ-৪৭-৫২৬১) নিয়ে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ঘুরতে বের হন।

মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে র‍্যাব জানায়, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ভেতরে একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে গাড়ির ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে বিতণ্ডা হয়। এ সময় অন্য একটি মোটরসাইকেলে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার আই ব্লকের ৭ নম্বর সড়কের মাথায় নাঈমকে গাড়ি থেকে জোর করে নামিয়ে কিলঘুষি মারেন এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন।

পরে রাত আনুমানিক ১০টা ৪৫ মিনিটে রাকিবুল ইসলাম বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার আই ব্লকের ওয়ালটন বাড়িসংলগ্ন ১৫ নম্বর সড়কের মাথা থেকে নাঈম কিবরিয়াকে উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে ভাটারা থানা–পুলিশ মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

এ ঘটনায় নাঈম কিবরিয়ার বাবা ভাটারা থানায় অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। র‍্যাব জানায়, ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রচারিত হলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এরপর র‍্যাব-১ ছায়া তদন্ত শুরু করে আসামিদের গ্রেপ্তারে নামে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার জোবায়ের ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে র‍্যাব। র‌্যাবের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ভাটারা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।