গত ২৯ জুলাই রাজধানীর সদরঘাটে একটি লঞ্চের কেবিন থেকে জাকিরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার দুই দিন পর তাঁর প্রথম স্ত্রী সুরমা আক্তার বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

পিবিআই বলছে, তালাক দিলেও আরজুর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল জাকিরের। এ ছাড়া অনেক নারীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পরিকল্পিতভাবে তাঁকে হত্যা করেন আরজু।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘটনার দিন ভোলায় গ্রামের বাড়ি যাওয়ার কথা ছিল আরজুর। এটা জানতে পেরে জাকির তাঁকে সঙ্গে নেওয়ার অনুরোধ করেন। জাকিরকে হত্যার বড় সুযোগ মনে করে তাঁর অনুরোধে রাজি হন আরজু। স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে মাস্টার কেবিনে ভোলার উদ্দেশে রওনা হন তাঁরা।

পিবিআইয়ের ভাষ্য, পরে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী খাবারের সঙ্গে চেতনাশক মিশিয়ে জাকিরকে অজ্ঞান করেন আরজু। এরপর ওড়না দিয়ে শ্বাসরোধ করে তাঁকে হত্যা করেন। হত্যার পর মরদেহ কেবিনের খাটের নিচে রেখে পালিয়ে যান তিনি। লঞ্চটি ওই দিনই ভোলা থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে। ফেরার পথে ওই কেবিনের যাত্রীরা খাটের নিচে লাশ দেখতে পান। পরে লঞ্চটি ঢাকায় পৌঁছালে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।

পুলিশ জানিয়েছে, নিহত জাকির ও আরজু একই এলাকার বাসিন্দা। তাঁদের বাড়ি ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায়।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন