সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-৩-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, রোববার নকল মুঠোফোন তৈরির ওই কারখানায় অভিযান চালিয়ে মুঠোফোনে ভুয়া আইএমইআই নম্বর বসানোর যন্ত্রও পাওয়া গেছে। সেখানে দিনে অন্তত ৫০টি নকল মুঠোফোন তৈরি করা হতো।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, স্বপনের গ্রামের বাড়ি জামালপুরে। দুই বছর আগে কাজের সন্ধানে তিনি ঢাকার মতিঝিলে আসেন। সেখানে একটি অফিসে কিছুদিন অফিস সহকারী হিসেবে চাকরি করেন। সেখানকার একজন কর্মীর মাধ্যমে তাঁর এক মুঠোফোন মেরামতকারীর সঙ্গে পরিচয় হয়।

র‌্যাব কর্মকর্তা আরিফ মহিউদ্দিন বলেন, স্বপন পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করলেও তাঁর প্রযুক্তিজ্ঞান ভালো ছিল। একপর্যায়ে তিনি অফিস সহকারীর চাকরি ছেড়ে বিনা বেতনে মুঠোফোন মেরামতের কাজ শুরু করেন। এই কাজ শেখার পর ইউটিউবে বিভিন্ন ভিডিও দেখে মুঠোফোন তৈরি শুরু করেন। গত দুই বছরে প্রায় ১০ হাজার নকল মুঠোফোন তৈরি করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে দিয়েছেন।

default-image

আরিফ মহিউদ্দিন জানান, প্রতিটি মুঠোফোন তৈরিতে স্বপনের খরচ হতো ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা। এগুলোর প্রতিটি তিনি বিক্রি করতেন ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকায়। এভাবে অর্থ আয় করে গত দুই বছরে স্বপন তাঁর গ্রামে অনেক জমি কিনেছেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন