পাঁচজনকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ও সিটিটিসির প্রধান মো. আসাদুজ্জামান বলেন, গ্রেপ্তার পাঁচজনই জামায়াতুল আনসারের সক্রিয় সদস্য। তাঁদের মধ্যে হাবিবুল্লাহ ও মাহমুদুল কথিত জিহাদি প্রশিক্ষণ নিতে ঘর ছাড়েন।

আবদুল্লাহ, তাজুল ও জিয়াউদ্দিন ঘর ছেড়ে আসা নতুন সদস্যদের সাময়িক বাসস্থানের ব্যবস্থা করতেন। তাঁদের প্রাথমিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতেন। ঢাকার বিভিন্ন এলাকার ঘরছাড়া তরুণদের গ্রহণ করে নিজের বাসায় নিয়ে যেতেন আবদুল্লাহ। তিনি তাঁদের উগ্রবাদী ধারণায় উদ্বুদ্ধ করতেন। পরে তাঁদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতেন।

আসাদুজ্জামান বলেন, নতুন জঙ্গি সংগঠনটির প্রধান শামীম মাহফুজকে এখনো গ্রেপ্তার করা যায়নি। তাঁকে গ্রেপ্তার করা গেলে সংগঠনটি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

আসাদুজ্জামান বলেন, জামায়াতুল আনসারের লক্ষ্য বড় বাহিনী গঠন করা। তারা গত বছর সারা দেশের ৭০ থেকে ৮০ জন যুবককে সদস্য করেছে। তারা পাহাড়ে সংগঠনের শক্ত ঘাঁটি গড়ার পরিকল্পনা নিয়েছিল।

গ্রেপ্তার পাঁচ ব্যক্তির বিরুদ্ধে রাজধানীর ডেমরা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়েছে বলে জানায় সিটিটিসি।