দুদকের আইনজীবী কাজী ছানোয়ার আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, আসামি লুৎফুল করিমকে পৃথক দুই ধারায় ১৫ বছরের কারাদণ্ড, ৩ কোটি ১০ লাখ টাকা জরিমানা, ব্যবসায়ী সিরাজকে ১১ বছরের কারাদণ্ড, ৩ কোটি ২ লাখ টাকা জরিমানা এবং কায়সার চৌধুরীকে ১০ বছরের কারাদণ্ড, ৭ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

দুদক সূত্র জানায়, রূপালী ব্যাংক খাতুনগঞ্জ শাখায় সিরাজ মিয়া একটি হিসাব খুলেন। ১৯৯২ সাল পর্যন্ত তাঁর হিসাব নম্বরে টাকা ছিল ১২ লাখ ৭৭ হাজার ৮২০ টাকা। কিন্তু চেকের মাধ্যমে অতিরিক্ত ১ কোটি ৩১ লাখ ৫৯ হাজার টাকা উত্তোলন করেন ওই ব্যবসায়ী। অতিরিক্ত উত্তোলিত টাকার চেকগুলো পাস করেন ব্যাংকের তৎকালীন ব্যবস্থাপক এ কে এম লুৎফুল করিম। টাকাগুলো দেন ক্যাশিয়ার আবু কায়সার চৌধুরী। এ ছাড়া সিরাজ মিয়া খাতুনগঞ্জে যে ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের নামে হিসাব খুলেন, সেটির কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরো সহকারী উপপরিদর্শক মোল্লা নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে নগরের কোতোয়ালি থানায় ১৯৯৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর এই তিনজনকে আসামি করে মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০০০ সালের ৩১ মে পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় সংস্থাটি। তাঁদের মধ্যে আবুল কালাম ও দ্বীন মোহাম্মদ নামের দুজন এরই মধ্যে মারা গেছেন। সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আদালত এ রায় দেন।