গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে উত্তরার ১০ নম্বর সেক্টরের স্লুইসগেট এলাকা থেকে পায়েলকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে একটি ছোরা ও ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। তাঁর বাড়ি পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায়।

উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন প্রথম আলোকে বলেন, ‘পায়েলকে আমরা ছিনতাইকারী হিসেবে গ্রেপ্তার করি। গ্রেপ্তারের পর জানতে পারি, তুরাগ থানায় তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা রয়েছে।’

পুলিশ জানায়, গতকাল উত্তরার স্লুইসগেট এলাকার রাস্তায় মুঠোফোনে কথা বলছিলেন কলেজশিক্ষার্থী সাজেদুর রহমান রুবায়েদ। এ সময় মোটরসাইকেল আরোহী পায়েল তাঁর মুঠোফোন টান দেন। পরে ছিনতাইকারীর মোটরসাইকেলটি জাপটে তাঁকে ধরে ফেলেন সাজেদুর।

আজ শুক্রবার সাজেদুর প্রথম আলোকে বলেন, ‘মুঠোফোনটি আমার বাবা কিনে দিয়েছেন। ছিনতাই হলে আমার পক্ষে আরেকটা ফোন কেনা কষ্টকর। তাই ঝুঁকি নিয়ে আমি ছিনতাইকারীকে ধরেছি।’

সাজেদুর আরও বলেন, ‘পড়াশোনার পাশাপাশি আমি একটি প্রতিষ্ঠানে খণ্ডকালীন চাকরি করি। অফিস থেকে ফেরার পথে এই ঘটনা ঘটে।’ সাজেদুর কুমিল্লার অধ্যাপক আবদুল মজিদ কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

ওসি মোহাম্মদ মহসীন বলেন, গ্রেপ্তার ছিনতাইকারীর বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা করা হয়েছে।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন