সোমবার তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলে ডিএনসির ঢাকা উত্তর অঞ্চলের কার্যালয়ে এ নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএনসির ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক মো. জাফরুল্লাহ কাজল এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, গ্রেপ্তার চার ব্যক্তি হলেন মো. রুবেল, ফারুক দেওয়ান, নুর উদ্দিন দেওয়ান ও মো. রাব্বি।

সংবাদ সম্মেলনে জাফরুল্লাহ কাজল বলেন, রুবেলের নেতৃত্বে এই চক্র উত্তরা, সাভার, কেরানীগঞ্জ ও গাজীপুর এলাকায় গাঁজা ও ইয়াবা সরবরাহ করছে। দুই মাস আগেই চক্রের সন্ধান পাওয়া যায়। গত মাসে অভিযান চালিয়েও তাঁদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। অবশেষে গ্রেপ্তার করার পাশাপাশি গাঁজার একটি বড় চালান জব্দ সম্ভব হয়েছে। হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লা থেকে তাঁরা গাঁজার চালান ঢাকায় নিয়ে আসত। প্রতি কেজি গাঁজা ৫০ হাজার টাকা দরে ক্রয় করে তাঁরা দ্বিগুণ দামে বিক্রি করত।

মাদক পরিবহনে এই চক্রের কৌশল সম্পর্কে ডিএনসি কর্মকর্তা জাফরুল্লাহ কাজল বলেন, চক্রের সদস্যরা নিজেদের নিরাপত্তার জন্য মাদক পরিবহনের সময় একাধিক ব্যক্তিকে ব্যবহার করে। তাঁদের একটি দল আইন প্রয়োগকারী সংস্থার টহল দল ও তল্লাশিচৌকি সম্পর্কে মাদক পরিবহনকারী দলকে তথ্য দেন। এরপর পরিবহনের সময় কোনো সমস্যা হবে না, এমন তথ্য পেলে সরবরাহকারী দলটি ঢাকায় আসতেন। তথ্য প্রদানকারী দলের সদস্যদের তাঁরা লাইনম্যান নামে ডাকে।

উদ্ধার বিদেশি অস্ত্রের বিষয়ে অতিরিক্ত পরিচালক মো. জাফরুল্লাহ কাজল বলেন, মাদক কারবারিতে প্রভাব বিস্তার করতে চক্রের প্রধান রুবেল অস্ত্র সংগ্রহ করেন। অবৈধ অস্ত্র সংগ্রহের বিষয়েও রুবেল তথ্য দিয়েছেন। তবে তাঁর দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এদিকে ডিএনসির উত্তর অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, গ্রেপ্তার চার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে ঢাকার উত্তরা পশ্চিম থানায় এবং অস্ত্র আইনে সাভার থানায় মামলা হয়েছে।