পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রো পুলিশ সুপার নাইমা সুলতানা প্রথম আলোকে বলেন, আটক আবির প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বলেছেন, ছয়–সাত লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ের জন্য শিশু আয়াতকে অপহরণ করেছিলেন। কিন্তু তার মুঠোফোনের সিম কাজ না করায় মুক্তিপণের জন্য শিশুটির পরিবারকে কল দিতে পারেননি। নিজে ধরা পড়ে যাবেন, এই ভয়ে শিশুটিকে কেটে ছয় টুকরা করেন। পরে তা সাগরে ভাসিয়ে দেন।

আবির আরও বলেন, সত্যিকারের অপরাধের ঘটনা নিয়ে তৈরি টিভি ধারাবাহিক ক্রাইম পেট্রোল দেখে তিনি এমন পরিকল্পনা করেছিলেন।

নাইমা সুলতানা আরও বলেন, আবির যে দোকান থেকে দা–ছুরি কিনেছিলেন, সেই দোকানদার তাঁকে শনাক্ত করেন। এ ছাড়া সিসিটিভির ফুটেজ দেখে তাঁকে শনাক্ত করা হয়। মো. হাসিব নামের আবিরকে সহায়তাকারী এক দোকানদারকে আটক করা হয়েছে।

আবিরের বাবা ভ্যানচালক এবং তাঁর মা পোশাক কারখানার শ্রমিক। আবির বেকার। শিশু আয়াতকে অপহরণ করে তার পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায়ের পরিকল্পনা ছিল তাঁর। পিবিআই পরিদর্শক ইলিয়াস খান বলেন, আবিরকে নিয়ে অভিযান চলছে।

শিশুটির বাবা সোহেল রানা প্রথম আলোকে বলেন, ‘মেয়ে হত্যাকারীর বিচার চাই। আর কোনো বাবাকে যেন এভাবে বুকের ধন হারাতে না হয়।’