পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র বলছে, যাত্রাবাড়ী আড়ত এলাকায় সিটি টোলের নামে উজ্জ্বল মোল্লার লোকজন আগে চাঁদা তুলতেন। তবে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে এই চাঁদা তুলছিলেন আল–আমিনের লোকজন। এ নিয়ে দুই পক্ষের দ্বন্দ্ব চলছিল। চাঁদা তোলার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে  উজ্জ্বল মোল্লার লোকজন কয়েক দিন আগে আল–আমিনের লোকজনকে মারধর করেছিল। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে আবারো হামলা করতে আসে  উজ্জ্বল মোল্লার লোকজন। আল–আমিনের দলের সদস্য মনে করে ইমরানসহ তিনজনের ওপর হামলা চালান তারা। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে ইমরানের মৃত্যু হয়।

পুলিশের ডেমরা অঞ্চলের সহকারী কমিশনার (এসি) মধুসূদন দাস প্রথম আলোকে বলেন, ইমরান খুনের ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় মামলা হয়নি। তবে ঘটনার তদন্ত চলছে। জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।  

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ‘৭-ইলেভেন’ নামে এক ইজারাদার প্রতিষ্ঠান সিটি টোলের ইজারা নিয়েছে। তাদের কাছ থেকে সাব–কন্ট্রাক্টে এত দিন পণ্যবাহী ট্রাক থেকে চাঁদা তুলতেন উজ্জ্বল মোল্লা। তবে নতুন করে আল–আমিন নাব কন্ট্রাক্টে চাঁদা তোলার দায়িত্ব পাওয়ায় উজ্জ্বল মোল্লা ক্ষিপ্ত হন।