মখসিন উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, হামলাকারীরা ওই বাসা থেকে স্বর্ণালংকার ও মুঠোফোন লুট করে নেয়। তারা বাড়ির জানালা ভাঙচুর করে। বাড়িতে হামলা করার সময় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯–এ ফোন করলে মিরপুর থানার এসআই সোহেল রানা ও হাবিবুর রহমান সেখানে যান। এরপর সন্ত্রাসীরা সেখান থেকে চলে যায়। এসব ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ রয়েছে। পরদিন এ বিষয়ে মামলার আবেদন লিখে নিয়ে থানায় যান তিনি। রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত বসিয়ে রেখে থানার পরিদর্শক (তদন্ত) পরদিন আসতে বললেও আর মামলা নেননি। যে বাড়িতে হামলা হয়েছে, সেই প্লটের বায়না সূত্রে মালিকানায় রয়েছেন তিনিসহ ১৮ জন।

মখসিন বলেন, বিষয়টি নিয়ে গত ১৮ অক্টোবর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সঙ্গে দেখা করেন তাঁরা। তখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. জসিমউদ্দিন মোল্লার কাছে সেই আবেদনপত্রের ওপর সুপারিশ করেন। পরে তাঁরা উপকমিশনারের সঙ্গে দেখা করলে মিরপুর থানার ওসিকে মামলা নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন। কিন্তু ওসির কাছে গেলেও তিনি তাঁদের মামলা গ্রহণ করেননি।

মখসিন অভিযোগ করেন, এরপর ওই প্লটে বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। তখন ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে মিরপুর থানার পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। অবশ্য ওই বিস্ফোরণে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।  

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মিরপুর থানার ওসি মোস্তাজিরুর রহমান প্রথম আলোর কাছে দাবি করেন, যে প্লট নিয়ে ঘটনা, সেটি মখসিন উদ্দিনের নয়। ওই প্লটের মালিকানা দাবি করেছেন অপর এক ব্যক্তি। আর মখসিন উদ্দিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে যে আবেদন করেছিলেন, সেটির তদন্ত করছেন পুলিশের মিরপুর অঞ্চলের একজন অতিরিক্ত উপকমিশনার।

‘আপনার নির্দেশের পরও মিরপুর থানার ওসি মামলা নিলেন না কেন,’ এ প্রশ্ন করা হয়েছিল মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার জসীম উদ্দীনকে। জবাবে তিনি বলেন, হয়তো ঘটনাটি নিয়ে কোনো ঝামেলা আছে।