সংবাদ সম্মেলনে ডিবির প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর–রশীদ বলেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির বহুল প্রচলিত ওষুধ ভেজাল করে আসছিল চক্রটি। তিনি বলেন, চিকিৎসকেরা ভালো ওষুধ লিখে দিলেও অনেক রোগী বাজার থেকে প্রতারিত হয়ে নকল ওষুধ কিনছেন। ওষুধ খেয়ে তাঁদের রোগ ভালো হচ্ছে না। ভেজাল ওষুধের কারণে চিকিৎসকদের সঙ্গে রোগীদের সম্পর্ক খারাপ হচ্ছে।

ডিবির এই কর্মকর্তা বলেন, ডিবি বিভিন্ন সময় নকল ওষুধের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। আর এসব ঘটনায় মামলা হয়েছে ১৫টি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আসল কোম্পানির লোকজন বলেছেন, এসব ওষুধ তাঁরা তৈরি করেননি। এগুলো বানিয়ে বাজারে সরবরাহ করছেন প্রতারক চক্রের সদস্যরা।’

ডিবি জানায়,  ইকবাল নীলফামারী থেকে মো. আতিয়ার (৫০) নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে  বিভিন্ন পরিবহনে পার্সেলের মাধ্যমে এসব নকল ওষুধ সংগ্রহ করে কুমিল্লা শহরের স্টেশন রোড এলাকায় গোডাউনে সংরক্ষণ করতেন। পরে তিনি বিভিন্ন পরিবহনে পার্সেলের মাধ্যমে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তা বাজারজাত করতেন।

 ডিবির মতিঝিল বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার রাজীব আল মাসুদের নির্দেশনায় অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার আবদুল্লাহ আল মামুন নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।