শনিবার ইফাজের পরিবার গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানতে পেরেছে বলে প্রথম আলোকে জানিয়েছেন নিখোঁজসংক্রান্ত সাধারণ ডায়েরির (জিডি) তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গোলাম কিবরিয়া।

এর আগে গত ১১ এপ্রিল ইফাজ মিরপুর থেকে নিখোঁজ হন উল্লেখ করে মিরপুর থানায় জিডি করেছিলেন তাঁর মা জান্নাতুল ফেরদৌস। ইফাজ বিইউবিটির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি পরিবারের সঙ্গে মিরপুর–২ নম্বরের বসতি হাউজিং এলাকায় বসবাস করতেন।

সিটিটিসির একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের সক্রিয় সদস্য ইফাজ আহমেদ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৬ জুলাই রাতে যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে তাঁকেসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরা সেখানে পোপন বৈঠক করছিলেন। পরদিন ১৭ জুলাই যাত্রাবাড়ী থানায় তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা হয়। ওই মামলায় তিনি এখন কারাগারে।

ওই কর্মকর্তার ভাষ্য, ইফাজসহ গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা গোপন অ্যাপসের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করতেন। তাঁদের কাছ থেকে তিনটি মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

তাঁদের বিরুদ্ধে জঙ্গি সংগঠনের জন্য সদস্য সংগ্রহ, রাষ্ট্রবিরোধী প্রোপাগান্ডা প্রচার, জঙ্গি অর্থায়ন এবং নাশকতার মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

জিডির তদন্ত কর্মকর্তা এসআই গোলাম কিবরিয়া প্রথম আলোকে বলেন, ইফাজের খোঁজ মিলেছে বলে তাঁর পরিবার জানিয়েছে। এর বেশি কিছু জানা নেই।
এ বিষয়ে জিডিতে উল্লেখিত ইফাজের মা জান্নাতুল ফেরদৌসের মুঠোফোন নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তা বন্ধ পাওয়া গেছে।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন