ইছামতী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন
বগুড়ার ধুনটে ইছামতী নদী থেকে সরকারি অনুমতি ছাড়াই শ্যালো ইঞ্জিনের সাহায্যে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। বালু উত্তোলনের ফলে নদীর তীরবর্তী আবাদি জমি ও পাকা সড়ক ভাঙনের আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
২১ অক্টোবর সরেজমিনে দেখা যায়, ধুনট উপজেলার কালেরপাড়া ইউনিয়নের আড়কাটিয়া গ্রামের কাছে ইছামতী নদীতে ড্রামের ওপর বসানো হয়েছে শ্যালো ইঞ্জিন। এই শ্যালো ইঞ্জিনের সাহায্যে পাইপ দিয়ে নদীর তলদেশ থেকে অবাধে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। ওই স্থানের উত্তর পাশেই রয়েছে অনেক আবাদি জমি।
আড়কাটিয়া গ্রামের সাত-আটজন বাসিন্দা বলেন, গ্রামের বালু ব্যবসায়ী রঞ্জু মিয়া এই বালু উত্তোলন করছেন। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন অনেক প্রভাবশালী নেতা। তাঁদের ভয়ে এ বিষয়টি প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দিতে কেউ সাহস পায় না। প্রায় এক মাস ধরে বালু উত্তোলনের ফলে ইতিমধ্যেই নদীর দক্ষিণ তীরে ভাঙন দেখা দিয়েছে। বালু উত্তোলনের ঘটনা নিয়ে এর আগে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দিয়েও বন্ধ করা যায়নি। তাই আর কেউ কোনো অভিযোগ করেননি।
রঞ্জু মিয়া বলেন, ‘সুলতানহাটা গ্রামের সিরাজুল ইসলাম খানের বাড়ির সামনে পুকুর ভরাটের জন্য ১০ হাজার ঘনফুট বালুর প্রয়োজন। প্রতি হাজার ঘনফুট বালু উত্তোলনে দুই হাজার করে টাকা নেওয়া হচ্ছে। বালু উত্তোলন করলে আবাদি জমি কিংবা পাকা সড়কের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা নেই। বালু উত্তোলনে সরকারি কোনো অনুমতি নেই এ কথা ঠিক। তবে সবাই এভাবেই বালু উত্তোলন করে থাকে।’