নালিতাবাড়ীতে কৃষককে গুলি করে হত্যা, ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুরের ছেলেসহ গ্রেপ্তার ৯

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় এক কৃষককে হত্যার অভিযোগে যোগানিয়া ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমানকে প্রধান আসামি করে ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। পুলিশ গত দুই দিনে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এর মধ্যে আটজনকে গতকাল শুক্রবার কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
গত বৃহস্পতিবার রাতে নিহত কৃষক ইদ্রিস আলীর বাবা ফজলুর রহমান এই হত্যা মামলা করেন। আজ শনিবার চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমানের প্রথম স্ত্রীর ছেলে রিয়াদ হোসেনকে (২৫) ঢাকার গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার করে নালিতাবাড়ী থানায় আনা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার উপজেলার কুত্তামারা গ্রামের রাহুল মিয়া (২২), ওসমান মিয়া (৪০) ও হারেজ আলী (৪৫), গতকাল চেয়ারম্যানের দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্ত্রী শাহানাজ বেগম (৪৫) ও আমেলা খাতুন (৩০), বড় বোন সূর্যি বেগম (৫৫), ভাতিঝির স্বামী মাজু মিয়া (৩৫) এবং চেয়ারম্যানের সহযোগী ছুর মামুদকে (২৫) পুলিশ গ্রেপ্তার করে। গতকাল বিকেলে তাঁদের শেরপুর জেলা কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ গ্রেপ্তার হওয়া চেয়ারম্যানের বড় ছেলে রিয়াদ হোসেনকে প্রাথমিকভাবে থানায় জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। আগামীকাল রোববার তাঁকে আদালতে পাঠানো হবে।
নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের প্রথম আলোকে বলেন, চেয়ারম্যান পলাতক। রিয়াদ নামে তাঁর এক ছেলেকে গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আগামীকাল তাঁকে আদালতে পাঠানো হবে। থানায় প্রাথমিভাবে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। অন্য আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ধান কাটাকে কেন্দ্র করে যোগানিয়া ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান প্রতিপক্ষ ইদ্রিস আলী ও সোহরাবের বাড়িতে হামলা চালান। এ সময় চেয়ারম্যানের পিস্তলের গুলিতে কৃষক ইদ্রিস আলী মারা যান বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে শুক্রবার প্রথম আলোয় ‘নালিতাবাড়ীতে কৃষককে গুলি করে হত্যা’ )শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।