জ্বালানি সরবরাহে ঘাটতি নেই, তবে আসেনি ‘জরুরি তেল’

ডিজেল

  • মে মাসের চাহিদা ৩ লাখ ৭০ হাজার টন।

  • দেশে আছে ২ লাখ ৮৯ হাজার টন।

  • মে মাসে আসবে ৩ লাখ ২৯ হাজার টন।

অকটেন

  • মে মাসের চাহিদা ৩৭ হাজার টন।

  • মজুত আছে ৪২ হাজার ৯৩৩ টন।

  • স্থানীয় উৎস থেকে আসবে ২৪ হাজার টন।

  • আমদানি করা হবে ২৬ হাজার টন।

জ্বালানি তেলফাইল ছবি

বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার নতুন উৎস থেকে সরাসরি তেল কেনার প্রক্রিয়া শুরু করেছিল। এ প্রক্রিয়ায় ৫৬টি বিদেশি কোম্পানি আবেদন করে কাজ পেয়েছে ৮টি। আরও কয়েকটি কাজ পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কেউ তেল সরবরাহ করেনি। অর্থাৎ গত দুই মাসে ‘জরুরি সরবরাহের’ জ্বালানি তেল আসেনি। এখন জুলাই-ডিসেম্বরের জন্য তেল কিনতে উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করা হচ্ছে।

যদিও দেশে আপাতত জ্বালানি তেলের সংকট নেই। বাজারে সরবরাহ বাড়ানোর পর ফিলিং স্টেশনগুলোতে ভিড় কমেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। মে মাসের প্রথম সপ্তাহে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের একটি জাহাজ আসার কথা রয়েছে। অপরিশোধিত জ্বালানি তেল নিয়ে আরও দুটি জাহাজ আসার আলোচনা আছে। মে মাসে ডিজেলের চাহিদা ৩ লাখ ৭০ হাজার টন। ৩ লাখ ২৯ হাজার টন ডিজেল আসার কথা নিশ্চিত করেছে সরবরাহকারীরা। অকটেনের চাহিদা ৩৭ হাজার টন। স্থানীয় উৎস থকে ২৪ হাজার টন পাওয়া যাবে। আমদানি হয়ে আসার কথা সাড়ে ২৬ হাজার টন। এর বাইরে সরাসরি ক্রয়প্রক্রিয়া থেকে ডিজেল ও অকটেন আমদানি হলে মজুত বাড়তে পারে।

গত দুই মাসে ‘জরুরি সরবরাহের’ জ্বালানি তেল আসেনি। এখন জুলাই-ডিসেম্বরের জন্য তেল কিনতে উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করা হচ্ছে।
জ্বালানি তেলের জন্য মোটরসাইকেল ও গাড়ির এই লাইন চলে সম্প্রতি।তবে কয়েক দিনে পরিস্থিতি পাল্টেছে। রাজধানীর আসাদ গেটে ফিলিং স্টেশনে
ফাইল ছবি: প্রথম আলো

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) কর্মকর্তারা বলছেন, প্রতিবছর ৬ মাস করে দুই ধাপে তেল কেনার জন্য পরিকল্পনা তৈরি করা হয়। পরিশোধিত জ্বালানির ৫০ শতাংশ কেনা হয় সরকারি পর্যায়ে (জিটুজি) চুক্তির মাধ্যমে। আর বাকি ৫০ শতাংশ কেনা হয় উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে। গত বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর সময়ের তেল কেনা মার্চের মধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে। এবার সংকট পরিস্থিতিতে সরাসরি তেল কেনার প্রস্তাব বিবেচনা করতে গিয়ে পিছিয়ে গেছে বিপিসি। এখন স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করতে না পারলে আবার সংকট সৃষ্টি হতে পারে।

জরুরি পরিস্থিতিতে তেল সংগ্রহের বিষয়ে বিপিসি সূত্র বলছে, গত ৭ মার্চ সরকারকে জ্বালানি তেল সরবরাহের প্রস্তাব দেয় একটি কোম্পানি। ৯ মার্চ সমঝোতা, কারিগরি কমিটির প্রতিবেদন ও বোর্ড সভার অনুমোদন দিয়ে পরদিন জ্বালানি বিভাগে পাঠানো হয়। ১২ মার্চ প্রথমে অর্থনৈতিক বিষয়–সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি ও পরে ক্রয়–সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি অনুমোদন দেয়।

এবার সংকট পরিস্থিতিতে সরাসরি তেল কেনার প্রস্তাব বিবেচনা করতে গিয়ে পিছিয়ে গেছে বিপিসি। এখন স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করতে না পারলে আবার সংকট সৃষ্টি হতে পারে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।

এভাবে মাত্র ৫ দিনেই চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়ে যায় ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় নিবন্ধিত কোম্পানি এঅ্যান্ডএ এনার্জি অয়েল অ্যান্ড গ্যাস এলএলসি। তবে ২২ এপ্রিলের মধ্যে পারফরম্যান্স গ্যারান্টির (পিজি) টাকা জমা দেওয়ার কথা থাকলেও তারা দেয়নি। ফলে নোটিফিকেশন অব অ্যাওয়ার্ড (নোয়া) বাতিল হয়ে যায়। কাজাখস্তান থেকে তেল সরবরাহের কথা বলেছিল ওই কোম্পানি। এক লাখ টন ডিজেল সরবরাহ করতে গত ১৫ মার্চ ওই কোম্পানিকে নোয়া দেয় বিপিসি। এটি সরবরাহের পর আরও এক লাখ টন ডিজেলের নোয়া দেওয়ার কথা। দুই লাখ টন ডিজেল সরবরাহের প্রস্তাব অনুমোদন করেছিল সরকার।

জ্বালানি বিভাগ ও বিপিসি সূত্র বলছে, শুধু এঅ্যান্ডএ এনার্জি অয়েল অ্যান্ড গ্যাস নয়। এখন পর্যন্ত ৫৬টি কোম্পানির আবেদন জমা পড়েছে বিপিসির কাছে। ইতিমধ্যে ৮টি কোম্পানিকে কাজ দেওয়া হয়েছে। আরও বেশ কিছু প্রস্তাব মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। তবে দুই মাসেও এসব কোম্পানির কাছ থেকে তেল আসেনি। সামনে সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছে না। মাত্র একটি কোম্পানির স্থানীয় প্রতিনিধি ২৫ হাজার টন ডিজেল সরবরাহের পিজি জমা দিয়েছে।

আরও পড়ুন
আরামবাগে এইচ কে ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে লাইন দেখা যায়নি। গত মঙ্গলবার সকালে
ছবি: প্রথম আলো

বিপিসির কর্মকর্তারা বলছেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা করে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল। এক দিনের মাথায় বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি অস্থির হয়ে ওঠে। সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি তেল কেনার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এমন সময় সরকারকে জ্বালানি তেল সরবরাহ দিতে একের পর এক কোম্পানি প্রস্তাব নিয়ে আসতে থাকে। সরকারের মন্ত্রী, উপদেষ্টা, প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্য, সাবেক ও বর্তমান আমলাদের কেউ কেউ এসব কোম্পানির পক্ষে সুপারিশ করেন। জ্বালানি বিভাগের চাপে যাচাই–বাছাই ছাড়াই দ্রুত অনুমোদন দিয়ে এসব প্রস্তাব জ্বালানি বিভাগে পাঠানো হয়।

জ্বালানি বিভাগ ও বিপিসি সূত্র বলছে, শুধু এঅ্যান্ডএ এনার্জি অয়েল অ্যান্ড গ্যাস নয়। এখন পর্যন্ত ৫৬টি কোম্পানির আবেদন জমা পড়েছে বিপিসির কাছে। ইতিমধ্যে ৮টি কোম্পানিকে কাজ দেওয়া হয়েছে। আরও বেশ কিছু প্রস্তাব মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। তবে দুই মাসেও এসব কোম্পানির কাছ থেকে তেল আসেনি। সামনে সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছে না।

বিপিসির চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, পিজি নির্ধারণের জন্য প্রস্তাবিত দাম বিবেচনা করা হয়েছে। তবে বিল পরিশোধ করা হবে জাহাজ আসার পর বাজারমূল্য দেখে। তাই বাড়তি বিল পরিশোধের সুযোগ নেই। পিপিআর মেনেই পিজি জমার ২৮ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। পরে আগ্রহী কোম্পানি নিজ থেকে কমিয়ে ৭ দিন নিয়েছে। যাচাই–বাছাই করেই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আরও দুটি কোম্পানি পিজি দেবে বলেছে। সরাসরি ক্রয় থেকে তিনটি কার্যাদেশ সফল হলেও বাড়তি চার লাখ টন যুক্ত হবে। তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না। জুলাই-ডিসেম্বরের তেল কিনতে দরপত্র আহ্বান করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন

বিপিসি সূত্র জানায়, ২৮ এপ্রিল বিক্রির পর ডিজেলের মজুত আছে ১ লাখ ৮১ হাজার টন, যা ১৫ দিনের মজুত। তিনটি জাহাজ থেকে ৭৫ হাজার টন ডিজেল খালাস হচ্ছে। খালাসের অপেক্ষায় আছে আরও ৩৩ হাজার টন। অকটেনের মজুত আছে ৪২ হাজার ৯৩৩ টন, যা ৩৫ দিনের মজুত। পেট্রলের মজুত আছে ১৭ হাজার ৬৪০ টন, যা ১২ দিনের মজুত। তবে পেট্রলের শতভাগ ও অকটেনের ৫০ শতাংশ দেশে উৎপাদন হয়। যদিও কাঁচামাল আমদানি করতে হয় বিদেশ থেকে।

সোয়া ১০ লাখ টন তেলের কার্যাদেশ

সরাসরি চুক্তির আওতায় এখন পর্যন্ত ৯ লাখ টন ডিজেল, ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল (ক্রুড অয়েল) ও ২৫ হাজার টন অকটেন কেনার কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৬ মার্চ পাওয়া নোয়া অনুসারে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১ লাখ টন ডিজেল ও ২৫ হাজার টন অকটেন দেওয়ার কথা আরব আমিরাতের কোম্পানি পেট্রোগ্যাস ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশনের। হংকং থেকে ১ লাখ টন ডিজেল সরবরাহের কথা নেদারল্যান্ডসের কোম্পানি এপি এনার্জি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের। ২৭ মার্চ এ কোম্পানির সঙ্গে কাজ পায় হংকংয়ের কোম্পানি সুপারস্টার ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড। আজারবাইজান ও উজবেকিস্তান থেকে ২ লাখ টন ডিজেল সরবরাহের কথা তাদের।

আরও পড়ুন

এক্সনমবিল কাজাখস্তান ইনকরপোরেশন নামের কোম্পানি কাজ পায় ৩ এপ্রিল। কাজাখস্তান-যুক্তরাষ্ট্র-নেদারল্যান্ডস থেকে ১ লাখ টন ডিজেল দেওয়ার কথা তাদের। ২ এপ্রিল কাজ পাওয়া মালয়েশিয়ার কোম্পানি আবির ট্রেড অ্যান্ড গ্লোবাল মার্কেটস দেশটি থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল সরবরাহের কথা। ৮ এপ্রিল ১ লাখ টন ডিজেল সরবরাহের কাজ পেয়েছে কাজাখ গ্যাস প্রসেসিং প্ল্যান্ট এলএলপি। কাজাখস্তান থেকে তেল সরবরাহের কথা এ কোম্পানির। ১ লাখ টন ডিজেল সরবরাহ করতে ১৬ এপ্রিল কাজ পেয়েছে সুইজারল্যান্ডের ইয়ার এনার্জি। তারা নেদারল্যান্ডস থেকে তেল সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছে।

এর বাইরে কাজাখস্তান থেকে ১ লাখ টন ডিজেল ও ২৫ হাজার টন অকটেন সরবরাহ করতে অর্থনৈতিক মন্ত্রিসভা কমিটিতে অনুমোদন পেয়েছে সিঙ্গাপুরের কোম্পানি ডিবিএস। আরও তিনটি কোম্পানির তেল সরবরাহের প্রস্তাব জ্বালানি বিভাগে পাঠিয়েছে বিপিসি।

গতকাল বুধবার বিপিসি কার্যালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এদের মধ্যে শুধু আরব আমিরাতের পেট্রোগ্যাস কোম্পানি ২৫ হাজার টন ডিজেলের জন্য পিজি জমা দিয়েছে। ২৬ এপ্রিল বিপিসির সঙ্গে তেল সরবরাহের চুক্তি করেছে তারা। তবে মূল কোম্পানির পক্ষে ব্যাংকে পিজি জমা দিয়েছে স্থানীয় প্রতিনিধি। তেল সরবরাহের জন্য আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে তাদের। তেল সরবরাহের নিশ্চয়তা ও বন্দরের নাম পেলে ঋণপত্র খুলবে বিপিসি।

এর বাইরে কাজাখস্তান থেকে ১ লাখ টন ডিজেল ও ২৫ হাজার টন অকটেন সরবরাহ করতে অর্থনৈতিক মন্ত্রিসভা কমিটিতে অনুমোদন পেয়েছে সিঙ্গাপুরের কোম্পানি ডিবিএস। আরও তিনটি কোম্পানির তেল সরবরাহের প্রস্তাব জ্বালানি বিভাগে পাঠিয়েছে বিপিসি।

সরাসরি চুক্তির ক্ষেত্রে কোনো সময়সীমা নির্দিষ্ট নেই। তাই জরুরি পরিস্থিতিতে পিজি জমার সময় কমিয়ে দিতে হয়। এটি করা হলে কম সময়ে তেল কেনাকাটা শেষ করা যেত। শেষে এটি করেছে বিপিসি। তবে জরুরি হলেও যাচাই–বাছাই ছাড়া কাজ দেওয়া উচিত নয়। দক্ষতা, অভিজ্ঞতা, আর্থিক সামর্থ্য দেখে কাজ দিলে তেল সরবরাহ না দিতে পারার কথা নয়।
সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিটের (সিপিটিইউ) সাবেক মহাপরিচালক ফারুক হোসেন

অধিকাংশ কোম্পানির অভিজ্ঞতা নেই

বিপিসির সূত্র ও কয়েকটি কার্যাদেশের তথ্য বলছে, সরকারের পক্ষ থেকে জরুরি পরিস্থিতিতে সরাসরি কেনার কথা বলা হলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখা যায়নি। শুরুতে প্রতিটি কোম্পানিকে পিজি জমা দিতে ২৮ কার্যদিবস সময় দেওয়া হয়েছে। এরপর চুক্তি করে বিপিসির ঋণপত্র খোলার পর আমদানির প্রক্রিয়া শুরু হবে। এতে লম্বা সময় লেগে যাওয়ার কথা। আবার শেষ দিকে এসে কোনো কোনো কোম্পানিকে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে পিজি জমা দিতে বলা হয়েছে।

বিপিসির কর্মকর্তা ও দেশে তেল ব্যবসায় যুক্ত পুরোনো ব্যবসায়ীরা বলছেন, অধিকাংশ কোম্পানির তেল সরবরাহের নিজস্ব কাঠামো নেই। এগুলো মূলত ট্রেডিং ধাঁচের কোম্পানি। এক জায়গা থেকে কম দামে কিনে অন্য খানে বিক্রি করতে চায়। তাদের অভিজ্ঞতাও খুব বেশি নয়। যেকোনো সংকটের সময় এমন অনেক কোম্পানি ভিড়

করে। ২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সময়ও কম দামে তেল সরবরাহের কথা বলেছিল কিছু কোম্পানি। যদিও তখন কেউ সরবরাহ করতে পারেনি।

সরকারি কেনাকাটাবিষয়ক নিয়ন্ত্রক সংস্থা সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিটের (সিপিটিইউ) সাবেক মহাপরিচালক ফারুক হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, সরাসরি চুক্তির ক্ষেত্রে কোনো সময়সীমা নির্দিষ্ট নেই। তাই জরুরি পরিস্থিতিতে পিজি জমার সময় কমিয়ে দিতে হয়। এটি করা হলে কম সময়ে তেল কেনাকাটা শেষ করা যেত। শেষে এটি করেছে বিপিসি। তবে জরুরি হলেও যাচাই–বাছাই ছাড়া কাজ দেওয়া উচিত নয়। দক্ষতা, অভিজ্ঞতা, আর্থিক সামর্থ্য দেখে কাজ দিলে তেল সরবরাহ না দিতে পারার কথা নয়।