দেশজুড়ে যৌথ বাহিনীর সপ্তাহব্যাপী অভিযানে ৩২৫ জন আটক
ঢাকাসহ সারা দেশে গত এক সপ্তাহে বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ৩২৫ জনকে আটক করেছে যৌথ বাহিনী। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ, ককটেল, দেশীয় অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এ তথ্য জানিয়েছে।
আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘দেশের চলমান পরিস্থিতিতে সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব, শৃঙ্খলা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।’
এরই ধারাবাহিকতায় ৯ জানুয়ারি থেকে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ডিভিশন ও ব্রিগেডের অধীন ইউনিটগুলো অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযান সম্পর্কে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘এসব যৌথ অভিযানে সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী, মাদকাসক্ত, ডাকাত সদস্য, কিশোর গ্যাং, চোরাকারবারিসহ মোট ৩২৫ জন সন্দেহভাজন অপরাধীকে হাতেনাতে আটক করা হয়।’
আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে ২৮টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, ৪১৯ রাউন্ড বিভিন্ন ধরনের গোলাবারুদ, ১৪টি ককটেল, দেশীয় অস্ত্র ও বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয় বলে আইএসপিআর জানিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘আটককৃতদের প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ এবং আইনি কার্যক্রম সম্পন্নের জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দেশব্যাপী জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়মিত টহল কার্যক্রম ও নিরাপত্তা অভিযান পরিচালনা করছে। পাশাপাশি শিল্পাঞ্চলে উদ্ভূত শ্রমিক অসন্তোষ নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করছে। দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে সেনাবাহিনীর এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। সাধারণ জনগণকে অনুরোধ করা হচ্ছে—যেকোনো ধরনের সন্দেহজনক বা অস্বাভাবিক কার্যকলাপ পরিলক্ষিত হলে তা নিকটস্থ সেনা ক্যাম্পে অবহিত করার জন্য।
দেশব্যাপী জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীর নিয়মিত টহল ও নিরাপত্তা অভিযান পরিচালনা এবং শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক অসন্তোষ নিয়ন্ত্রণে দায়িত্ব পালনের কথাও বিজ্ঞপ্তিতে তুলে ধরা হয়। দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
যেকোনো ধরনের সন্দেহজনক বা অস্বাভাবিক কার্যকলাপ পরিলক্ষিত হলে তা নিকটস্থ সেনা ক্যাম্পে অবহিত করার জন্য সাধারণ জনগণকে অনুরোধ করা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।