চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি মো. ফখরুদ্দিন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, বাবুলের করা আবেদন বিষয়ে আদালতের আদেশ পিছিয়েছে। বিচারক ছুটিতে থাকায় আজ সোমবার কোনো আদেশ দিতে পারেননি। ২৫ সেপ্টেম্বর তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আদেশের জন্য।

এদিকে বাবুল ১১ সেপ্টেম্বর আরেকটি আবেদন করেন একই আদালতে। সেখানে বলা হয়, ফেনী কারাগারে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। ৮ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতে পিবিআইয়ের প্রধান বনজ কুমার মজুমদারসহ ছয় পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগে মামলা নেওয়ার আবেদন করেন বাবুল। আবেদনটি করার পর যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁরা বাবুলের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। ১০ সেপ্টেম্বর ফেনী মডেল থানার ওসি ফেনী কারাগারে গিয়ে বাবুলের সেলে তল্লাশি চালান, যা কারাবিধিতে নেই। এখন বাবুল ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। কারাগারে বাবুলের নিরাপত্তা জোরদার করতে ফেনীর জেল সুপারকে নির্দেশ দেওয়ার জন্য আবেদনে বলা হয়েছে।

চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি মো. ফখরুদ্দিন চৌধুরী জানান, আবেদনটির বিষয়ে আদেশ দেওয়া হবে ২৫ সেপ্টেম্বর।

২০১৬ সালের ৫ জুন চট্টগ্রাম নগরের জিইসি মোড় এলাকায় ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে গিয়ে গুলি ও ছুরিকাঘাতে নিহত হন বাবুলের স্ত্রী মাহমুদা। এ ঘটনায় তিনি প্রথমে বাদী হয়ে মামলা করেন। পরে গত বছরের মে মাসে মাহমুদার বাবা বাদী হয়ে বাবুলসহ আটজনকে আসামি করে মামলা করেন। এ মামলায় পিবিআই চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়।

আর বাবুলের করা মামলাটি সচল থাকে। গত বছরের মে মাসে বাবুলকে স্ত্রী খুনের মামলা আসামি করা হয়। মামলায় বাবুলসহ সাতজনকে আসামি করে ১৩ সেপ্টেম্বর অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেয় পিবিআই। আগামী ১৯ অক্টোবর এটি গ্রহণের তারিখ রয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন