হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা পৃথক আবেদনের শুনানি নিয়ে আজ রোববার চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এ আদেশ দেন।

এর আগে ১০ নভেম্বর ওই মামলায় রেহানা রহমান ও এম এ কাশেমকে শর্ত সাপেক্ষে জামিন দেন হাইকোর্ট। আদালতের অনুমতি ছাড়া তাঁরা দেশের বাইরে যেতে পারবেন না ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যেতে পারবেন না বলে শর্তে উল্লেখ করা হয়। হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে দুদক আপিল বিভাগে পৃথক আবেদন করে।

আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। অন্যদিকে সাবেক দুই ট্রাস্টির পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মুরাদ রেজা, মোহাম্মদ সাঈদ আহমেদ ও শাহ মঞ্জুরুল হক।

পরে আইনজীবী মোহাম্মদ সাঈদ আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, রেহানা রহমানের জামিন স্থগিত চেয়ে দুদকের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চেম্বার আদালত ‘নো অর্ডার’ দিয়েছেন। ফলে তাঁর জামিন বহাল থাকছে ও তাঁর কারামুক্তিতে আইনগত বাধা নেই। এম এ কাশেমকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন ২১ নভেম্বর পর্যন্ত স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত। একই সঙ্গে দুদকের আবেদনটি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে সেদিন শুনানির জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে।  

অবশ্য দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান প্রথম আলোকে বলেন, রেহানা রহমানের জামিন মঞ্জুর করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের অনুলিপি পেয়ে নিয়মিত লিভ টু আপিল করা হবে।

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের জমি কেনা বাবদ অতিরিক্ত ৩০৩ কোটি ৮২ লাখ টাকা ব্যয় দেখিয়ে তা আত্মসাতের অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়টির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে গত ৫ মে মামলাটি করে দুদক। এ মামলায় ওই দুই ট্রাস্টিসহ চার ট্রাস্টিকে হাইকোর্টে আগাম জামিন চেয়ে আবেদন করেন। আগাম জামিন আবেদন খারিজ করে দিয়ে গত ২২ মে হাইকোর্ট তাঁদের পুলিশে সোপর্দ করেন। তাঁরা কারাগারে আছেন।