বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) যুগ্ম পরিচালক (উদ্ধার) মো. বজলুর রহমান ফেরিটি উদ্ধার অভিযানের সমন্বয়কের দায়িত্বে রয়েছেন। তিনি বলেন, বিআইডব্লিউটিএ দুর্ঘটনার পর থেকেই উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে আসছে। পর্যবেক্ষণের পর উদ্ধারকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ফেরি আমানত শাহ বিআইডব্লিউটিসির কাছে হস্তান্তর করা হবে। তিনি আরও বলেন, ডুবে থাকা ফেরিটি শতভাগ উদ্ধার হয়েছে। এখন চলছে উদ্ধারকর্মী দিয়ে ফেরিটির ভেতরে থাকা কাদামাটি ও ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ।

বিআইডব্লিউটিএ ও জেনুইন কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার পাঁচ দিন পর ১ নভেম্বর ফেরিটি উদ্ধারে প্রতিষ্ঠানটির একটি উইন্স বার্জ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। কাত হয়ে ডুবে যাওয়া ফেরিটির নিচের অংশ নদীর তলদেশের প্রায় ছয় ফুট গভীরে অবস্থান করে। প্রতিষ্ঠানটির ডুবুরি দলের কর্মীরা যন্ত্রের মাধ্যমে ফেরির তলদেশের নিচ দিয়ে মোটা তারের মাধ্যমে বেঁধে ফেলে। এর আগে গত ২৯ অক্টোবর ফেরিটি উদ্ধারে প্রাথমিক কাজের অংশ হিসেবে অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করে উদ্ধারকারী প্রতিষ্ঠানের ডুবুরি দল।

প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপক অজয় দেবনাথ বলেন, টানা ৯ দিন উদ্ধার কার্যক্রম চালানো হয়। ডিবি মেরিন স্যালভেজ-১, ডিবি মেরিন স্যালভেজ-২, ডিবি মোহনা-১, ডিবি মোহাম্মদ-১ এবং ডিবি মোহাম্মদ-২ নামে তাঁদের নিজস্ব পাঁচটি উইন্স বার্জ দিয়ে ফেরিটি উদ্ধারকাজ সম্পন্ন হয়।

বিআইডব্লিউটিসির আরিচা কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. জিল্লুর রহমান বলেন, এই অবস্থায় ফেরিটি চালানো সম্ভব না। মেরামতের বিষয়ে দুর্ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে। ডুবে থাকা ফেরিটির সব ইঞ্জিনসহ অনেক যন্ত্রপাতি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

গত ২৭ অক্টোবর সকালে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাট থেকে ১৪টি যানবাহন নিয়ে ছেড়ে আসার পর পাটুরিয়ার ৫ নম্বর ঘাটে কাত হয়ে ডুবে যায় ফেরি আমানত শাহ। পরে ফেরির ভেতরে আটকে থাকা যানবাহন উদ্ধারকারী জাহাজ রুস্তম ও হামজাকে আনা হয়। ডুবে থাকা ফেরিটি উদ্ধারে উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয়ের আসার কথা থাকলেও, সক্ষমতা না থাকায় আসেনি। পরে বিআইডব্লিউটিএ ফেরিটি উদ্ধারে উদ্ধারকারী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে প্রাথমিকভাবে দুই কোটি টাকা চুক্তি করে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন