বগুড়ার সারিয়াকান্দির যমুনা ও বাঙ্গালী নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে সোমবার দিনভর অভিযান পরিচালনা করেন ভ্রাম‍্যমাণ আদালত।
অভিযানের সময় দুটি অবৈধ বালুমহাল থেকে বালু লুটকারীরা খননযন্ত্র ফেলে পালিয়ে গেলেও জব্দ করা হয় শ‍্যালো ইঞ্জিনচালিত অবৈধ খননযন্ত্র, খননের কাজে ব‍্যবহৃত নানা সরঞ্জাম। একটি পয়েন্ট থেকে খননযন্ত্র জব্দের পাশাপাশি বালু উত্তোলনে জড়িত একজন ব‍্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা দণ্ড দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন
default-image

সারিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাসেল মিয়া ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) দেওয়ান আকরামুল হক যৌথভাবে ভ্রাম‍্যমাণ আদালতে নেতৃত্ব দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব‍্যক্তি হলেন মোহাম্মদ হামজালা (২৫)। তাঁর বাড়ি সারিয়াকান্দি সদরের দীঘলকান্দি গ্রামে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ইউএনও রাসেল মিয়ার নেতৃত্বে দুপুরের দিকে উপজেলার যমুনা নদীর দেবডাঙা এলাকায় অবৈধ বালু পয়েন্টে অভিযান চালানো হয়। প্রশাসনের অভিযান টের পেয়ে সটকে পড়েন বালু লুটে জড়িত ব‍্যক্তিরা। পরে সেখান থেকে শ‍্যালো ইঞ্জিনসহ একটি খননযন্ত্র এবং অন‍্যান‍্য সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

বিকেলে এসি ল্যান্ড দেওয়ান আকরামুল হকের নেতৃত্বে বাঙ্গালী নদীর ছাইহাটা এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলন পয়েন্টে অভিযান চালিয়ে মোহাম্মদ হামজালা নামের এক ব‍্যক্তিকে আটক করা হয়। জব্দ করা হয় দুটি শ‍্যালো ইঞ্জিনসহ খননযন্ত্র, পাইপ, ভাসমান ড্রামসহ অন‍্য সরঞ্জাম। অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় আটক ব‍্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম‍্যমাণ আদালত।

বিজ্ঞাপন

এ ছাড়া রোববার বিকেলে সারিয়াকান্দির নারচি ইউনিয়নের কপতলায় বাঙ্গালী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় একটি শ‍্যালো ইঞ্জিনসহ অন‍্যান‍্য সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
ইউএনও রাসেল মিয়া বলেন, যমুনা ও বাঙ্গালী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের অভিযান অব‍্যাহত থাকবে। জব্দ করা খননযন্ত্রসহ অন‍্য সরঞ্জাম নিলামে বিক্রি করা হবে।

মন্তব্য পড়ুন 0