বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সোমবার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) সাহেব আলী পাঠান। তিনি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহযোগিতায় নরসিংদীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। পরে তাঁদের দেওয়া তথ্যমতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত লোহার রড, গামছা জব্দ করা হয় এবং ছিনতাই হওয়া ইজিবাইকটি উদ্ধার করা হয়।

ওয়াজ মাহফিলে যাওয়ার উদ্দেশে এই ৫ জন ৪০০ টাকায় ওই কিশোরের ইজিবাইক ভাড়া করেন। পথে একটি নির্জন স্থানে কিশোর চালককে লোহার রড দিয়ে আঘাত করেন তাঁরা।

নিহত অন্তর মিয়া মাধবদীর খিলগাঁও এলাকার মো. কামাল হোসেনের ছেলে। গত বুধবার সকালে ইজিবাইক নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয় অন্তর মিয়া। ওই দিন সকাল থেকে রাত আটটা পর্যন্ত তাকে ইজিবাইক চালাতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কিন্তু রাতে সে আর বাড়িতে ফেরেনি। পরদিন বিকেলে ডোবা থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার পাঁচজন হলেন আল আমিন (৩৬), বকুল মিয়া (৪৫), অহিদুল ইসলাম (২৫), ছগির মিয়া (৩১) ও সাজ্জাদ (৩২)। পুলিশ জানায়, বুধবার রাতে মাধবদীর বালাপুর এলাকায় একটি ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে যাওয়ার উদ্দেশে এই ৫ জন ৪০০ টাকায় ওই কিশোরের ইজিবাইক ভাড়া করেন। ওয়াজ মাহফিলে পৌঁছানোর আগে খিলগাঁও গ্রামের পাশের একটি নির্জন স্থানে কিশোর চালককে লোহার রড দিয়ে আঘাত করেন তাঁরা। পরে গামছা দিয়ে বেঁধে তাকে ডোবায় ফেলে দেন। এরপর তাঁরা ইজিবাইক নিয়ে পালিয়ে যান।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) সাহেব আলী পাঠান বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আগেও খুন, চুরিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। নিহত কিশোরের বাবা মো. কামাল হোসেনের দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাঁদের নরসিংদীর আদালতে পাঠানোর কথা জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহেদ আহমেদ, রায়পুরা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সত্যজিৎ কুমার ঘোষ ও মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দুজ্জামান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন