default-image

ব্যথা হওয়ায় দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অন্তঃসত্ত্বা পারভীন বেগমকে ভর্তি করেছিলেন স্বামী শফিকুল ইসলাম। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসক জানতে পারেন, পারভীনের গর্ভে তিন সন্তান। তিন দিনের চিকিৎসা শেষে তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। পরের দিন আবার ব্যথা শুরু হলে তাঁকে বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে গতকাল বুধবার পারভীন অস্ত্রোপচার ছাড়াই তিন সন্তানের জন্ম দেন। মা ও নবজাতকেরা ভালো আছে।

পারভীনের তিন সন্তানের দুটি ছেলে ও একটি মেয়ে। পারভীন-শফিকুল দম্পতি দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার সুজালপুর ইউনিয়নের বর্ষা গ্রামের বাসিন্দা।

পেশায় কাঠমিস্ত্রি শফিকুল বলেন, গতকাল বেলা ১১টার দিকে তিন সন্তানের জন্ম হয়। দুপুরেই নবজাতকদের এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান তিনি।

বিজ্ঞাপন

বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা আফরোজা সুলতানা বলেন, শুরু থেকেই পারভীন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। প্রসবের তারিখ ছিল জানুয়ারি মাসে। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের আগে তাঁর প্রসবব্যথা শুরু হয়। কোনো ধরনের অস্ত্রোপচার ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে তিন নবজাতকের জন্ম হয়। প্রতিটি বাচ্চার ওজন দেড় কেজি করে। পরে বাচ্চাদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।

এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবদ্যার বিশেষজ্ঞ ইশরাত শারমিন বলেন, প্রসবজনিত সমস্যা নিয়ে গাইনি বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন পারভীন বেগম। প্রসবের আরও দুই মাস বাকি ছিল। তাঁর শারীরিক অবস্থা কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় তাঁকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। পরে বাড়িতে নিয়ে গেলে আবার অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। হাসপাতালে নিলে তিনি তিন সন্তানের জন্ম দেন।

মন্তব্য পড়ুন 0