সংবাদ সম্মেলনে ময়মনসিংহ অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমিতির সভাপতি সেলিম সারোয়ার, সহসভাপতি জামাল উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান, প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ সোহেল প্রমুখ বক্তব্য দেন।

গত মঙ্গলবার ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে চাঁদার দাবিতে অ্যাম্বুলেন্স আটকে রাখার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ চিকিৎসক আফতাব উদ্দিনকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বলে জানিয়েছেন মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ চিত্তরঞ্জন দেবনাথ।

এদিকে অ্যাম্বুলেন্স অচলাবস্থার ঘটনার পরদিন বুধবার বিকেলে মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে চিকিৎসক-শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবিতে এবং উত্ত্যক্তকারীদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেন মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগ ও ইন্টার্ন চিকিৎসা পরিষদের শিক্ষার্থীরা।

অ্যাম্বুলেন্স চালকদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল হাসান বলেন, হাসপাতাল চত্বরে কতিপয় বখাটে অ্যাম্বুলেন্স চালক ও চালকের সহযোগী নারী চিকিৎসকদের ইভ টিজিং করেছিলেন। এই ঘটনায় চালকদের সঙ্গে বৈঠকে বসে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হলেও তাঁরা সেটিতে সাড়া না দিয়ে পুনরায় নারী চিকিৎসক ও ইন্টার্ন শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্ত করেন। এরপর ছাত্রলীগের সদস্যরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেন। এর জের ধরেই অ্যাম্বুলেন্স চালকেরা অহেতুক সেবা বন্ধ করে রোগী ও লাশ পরিবহনে অচলাবস্থা তৈরি করেছিলেন বলে উল্টো অভিযোগ করেন তিনি।