বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আইভীর মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তৈমুর আলম খন্দকার বলেন, ‘গত ৫০ বছর ধরে স্বচ্ছ-নির্ভেজাল কর্মকাণ্ড করে আসছি। সেসব কর্মকাণ্ডের কারণে গণমানুষের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এবারের নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হয়েছি। নারায়ণগঞ্জের মানুষ তাঁদের কাঙ্ক্ষিত প্রার্থী খুঁজে পেয়েছেন। গণমানুষের ডাকে সাড়া দিয়ে প্রার্থী হওয়ার পর আপামর জনগণ, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, শিক্ষার্থী, নারীসহ সবাই আমার পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় নেমেছেন। আমি কোনো দলের প্রার্থী নই, আমি জনগণের প্রার্থী।’

তৈমুর আলমের প্রচারণায় জাপার চার ইউপি সদস্যের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি সবার ভোট চাই। আমি প্রধানমন্ত্রীরও ভোট চাই। যাঁরা আমার প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন, যাঁদের নাম আপনারা বললেন; তাঁরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি। তাঁদের সমর্থন তো আমি চাই। তবে আমার সঙ্গে কারও কোনো আঁতাত নেই। গণমানুষের প্রার্থী আমি। জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন।’

তৈমুর বলেন, ২০১১ সালের মেয়র নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হলেও দলের সিদ্ধান্তে সরে দাঁড়ান। ওই সময় তিনি বসেননি, দল বসে গিয়েছিল। এবার দল প্রার্থী না দিলেও জনগণের চাহিদার কারণে তিনি প্রার্থী হয়েছেন। তিনি যেখানে যাচ্ছেন, সেখানেই ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন এবং দলমত–নির্বিশেষে সবাই পাশে দাঁড়াচ্ছেন বলে তিনি জানান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন