বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা সব সময় গর্ব করে বলে থাকি, আমরা আমাদের পুলিশকে অবশ্যই বিশ্বমানের পুলিশের কাছাকাছি নিয়ে আসছি। আমরা ভবিষ্যতে আমাদের পুলিশকে নিয়ে গর্ব করতে পারব। আমরা এই স্বপ্ন দেখি। আমরা অনুন্নত ও উন্নয়নশীল পর্যায় পার করে এসেছি। ২০৪১ সালে বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিণত হবে।

তার জন্য একটি দক্ষ পুলিশ বাহিনীর প্রয়োজন। পুলিশের চাকরি, চাকরি নয়, সেবা—এই জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চেয়েছিলেন একটি সেবাধর্মী পুলিশ গঠন করতে। সেই স্লোগান বাস্তবায়নে তিন হাজার পুলিশ কনস্টেবলকে পরিবর্তিত আধুনিক ও স্বচ্ছ পদ্ধতিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন পুলিশ হবে জনগণের পুলিশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও একটি সেবাধর্মী পুলিশ বাহিনী গঠনে অঙ্গীকারবদ্ধ।

আসাদুজ্জামান খান আরও বলেন, ‘দেশ যেমন এগিয়ে যাচ্ছে, পুলিশ বাহিনীও তেমনি এগিয়ে যাবে। সেই জন্য তাদের প্রশিক্ষণটাও সে রকম হবে, যাতে তারা বেস্ট অব দ্য বেস্ট হিসেবে যোগ্য পুলিশ হয়ে বাংলাদেশকে সেবা দিতে পারে। এটাই আমরা চাচ্ছি।

বর্তমানে আমরা যতগুলো অপরাধ দেখছি, সবগুলোকে পেছনে ফেলে সাইবার অপরাধ হচ্ছে মূল অপরাধ। সাইবার অপরাধ, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ দমনে যোগ্য ও পেশাদার পুলিশ গঠনের কোনো বিকল্প নেই। এই জন্যই টেকসই নিরাপত্তা দরকার। সেই দিকে লক্ষ্য রেখেই পুলিশ নিয়োগের এই পরিবর্তন আনা হয়েছে।’

প্রধান অতিথি বেলুল উড়িয়ে প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, জননিরাপত্তা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন, পুলিশের মহাপরিদর্শক আইজি বেনজীর আহমেদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন একাডেমির অধ্যক্ষ খন্দকার গোলাম ফারুক।

বক্তারা বলছেন, পুলিশের ইতিহাসে আজকের দিনটি একটি ঐতিহাসিক দিন। কারণ, এর আগে কনস্টেবলদের প্রশিক্ষণ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে কখনো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসেননি। এই কনস্টেবলরাও সেই দিক দিয়ে সৌভাগ্যবান। কনস্টেবলরাও হাত তুলে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে দেশপ্রেমের পরিচয় দেওয়ার অঙ্গীকার করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন