বিজ্ঞাপন

জানা গেছে, ভারত থেকে ফেরত বাংলাদেশি নাগরিকদের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাতটি আবাসিক হোটেল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল, বিজয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন এবং জেলার বেসরকারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রাখা হয়। জেলায় জায়গার সংকুলান না হওয়ায় স্থলবন্দর দিয়ে আসা যাত্রীদের কুমিল্লায় কোয়ারেন্টিন করা হচ্ছে।

আখাউড়া স্থলবন্দরের হেলথ ডেস্ক সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ এপ্রিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন ভারতে আটকা পড়া বাংলাদেশি নাগরিক স্থলবন্দর দিয়ে দেশে আসতে পারবেন বলে নির্দেশনা জারি করেন। এ ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করেন মন্ত্রী। সেগুলো হচ্ছে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় প্রশাসন ফেরত আসা নাগরিকদের ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করবে, প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের মধ্যে যাঁদের কোভিড টিকার দুটি ডোজ নেওয়া আছে এবং করোনার নেগেটিভ সনদ নেওয়া আছে, তাঁরা সরাসরি ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনের জন্য বিবেচিত হবেন এবং যাঁদের কোভিড-১৯ পরীক্ষার ফল নেগেটিভ হবে, তাঁরা ১১ দিন হোম কোয়ারেন্টিন করবেন।

আখাউড়া ইমিগ্রেশনের ইনচার্জ আবদুল হামিদ প্রথম আলোকে বলেন, আজ স্থলবন্দর দিয়ে দুই দেশের ৫৪ জন যাতায়াত করেছেন।

আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূর-এ আলম প্রথম আলোকে বলেন, আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে আসা বাংলাদেশি নাগরিকদের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাতটি আবাসিক হোটেলসহ নয়টি প্রতিষ্ঠানে কোয়ারেন্টিনে রাখা হচ্ছে। জেলায় বর্তমানে আর কোনো আবাসিক হোটেল নেই। তাই স্থলবন্দর দিয়ে নতুন করে আসা যাত্রীদের কোয়ারেন্টিনে রাখার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে কুমিল্লায় পাঠানো হচ্ছে। ২৬ এপ্রিল থেকে ২২ মে পর্যন্ত জেলায় ৩০৯ জন কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন। একই সময়ের মধ্যে ৩০৩ জনকে কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। গত ২৮ দিনে ১ হাজার ২৭ জন বাংলাদেশে ফিরেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন