default-image

রংপুরের বদরগঞ্জে নবম শ্রেণির সেই স্কুলছাত্রীকে (১৫) আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ এনে পুলিশ বাদী হয়ে অবশেষে থানায় মামলা করেছে। এলাকার হাফিজুর রহমান নামের এক ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করে গত মঙ্গলবার রাতে বদরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ওয়ালিউর রহমান বাদী হয়ে ওই মামলাটি বদরগঞ্জ থানায় করেন।

বদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ওই স্কুলছাত্রী সংখ্যালঘু পরিবারের। এলাকার হাফিজুর রহমান (৩০) প্রেমের ফাঁদে ফেলে মেয়েটির সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও চিত্র ধারণ করেন। পরবর্তী সময়ে মেয়েটিকে তা দেখিয়ে হাফিজুর পুনরায় অনৈতিক প্রস্তাব দিতেন এবং সেই ভিডিও ভাইরাল করেন। গত ৫ জানুয়ারি মেয়েটি লজ্জায়-অপমানে নিজ বাড়িতে বিষপান করার পর রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিনই মারা যায়। বিষয়টি এত দিন পুলিশের অগোচরে ছিল। ৮ মার্চ গণমাধ্যমে তা প্রকাশিত হওয়ার পর পুলিশের নজরে আসে। এ ঘটনায় মামলা করার জন্য ওই ছাত্রীর মাকে পুলিশ খুঁজে বের করেছে। কিন্তু তিনি অসুস্থ থাকায় মামলা করতে রাজি হননি। বাধ্য হয়ে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে।

এলাকার হাফিজুর রহমান (৩০) প্রেমের ফাঁদে ফেলে মেয়েটির সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও চিত্র ধারণ করেন। পরবর্তী সময়ে মেয়েটিকে তা দেখিয়ে হাফিজুর পুনরায় অনৈতিক প্রস্তাব দিতেন এবং সেই ভিডিও ভাইরাল করেন।

৮ মার্চ ‘আত্মহত্যা করা স্কুলছাত্রীর ভিডিও ভাইরাল, অভিযুক্ত পলাতক’ শিরোনামে প্রথম আলো অনলাইনে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপরই পুলিশ নড়েচড়ে বসে। আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে পরদিন ৯ মার্চ থানায় মামলা করা হয়। ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর থেকে মেয়েটির মা লোকচক্ষুর আড়ালে রয়েছেন। বাড়িতে ঝুলছে তালা। মেয়েটির বাবা আট বছর আগে মারা গেছেন। তাঁর আরও দুটি মেয়ে রয়েছে। তাঁদের বিয়ে হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন