বিজ্ঞাপন
আশরাফ ছাত্রলীগের নিয়মিত কর্মী। তাকে খুনের অভিযোগ আসায় জেলা ছাত্রলীগের ছাত্রবিষয়ক উপসম্পাদক নয়ন সরকারকে বহিষ্কার করার প্রক্রিয়া চলছে।
আবু তাহের, সাধারণ সম্পাদক, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগ

জানা যায়, আশরাফকে খুনের প্রতিবাদে শনিবার বেলা ১১ থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত সিংহরা রাস্তার মাথা ও দুপুর সোয়া ১২টায় ঘটনাস্থল জয়কালীহাটে বিক্ষোভ করেন ছাত্রলীগের কর্মী ও স্থানীয় লোকজন। ওই সময় পুলিশ সেখানে উপস্থিত হয়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয় বিক্ষোভকারীদের। ময়নাতদন্ত শেষে বিকেলে জানাজা শেষে শিলাইগড়া থানাদার বাড়িতে দাফন করা হয় আশরাফকে।

শনিবার বেলা একটার সময় শিলাইগড়া থানাদার এলাকায় আশরাফদের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, তার পরিবারের লোকজন বিলাপ করছেন। তার মা আংকুর বেগম ও বোন আয়েশা আক্তার বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন।

বিকেলে থানায় কথা হয় নিহতের বাবা মো. আবদুলের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমি জাহাজে কুতুবদিয়া ছিলাম। ঘটনার কথা শুনে রাতে চলে আসি। মনকে বোঝাতে পারছি না কোন দোষে আমার ছেলেকে মারা হলো। আমি ছেলে হত্যার বিচার চাই।’

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের বলেন, আশরাফ ছাত্রলীগের নিয়মিত কর্মী। সে ছাত্রলীগের মিছিল–মিটিংয়ে নিয়মিত অংশ নিত। তাকে খুনের অভিযোগ আসায় জেলা ছাত্রলীগের ছাত্রবিষয়ক উপসম্পাদক নয়ন সরকারকে বহিষ্কার করার প্রক্রিয়া চলছে।

নিহতের প্রতিবেশী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য বোরহান উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের দাবি একটাই, আশরাফের খুনিদের বিচারের আওতায় আনা হোক। রাজনীতির কারণে আর কোনো মায়ের বুক যেন খালি না হয়।’

আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম দিদারুল ইসলাম সিকদার বলেন, আশরাফ হত্যার আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন