default-image

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম–সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, ‘যারা বলে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী সরকারি দল পালন করছে, এটাই তো স্বাভাবিক। যারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের, তারাই তো স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি পালন করবে। আপনারা তো বহু আগেই রাজাকারের খাতায় নাম লিখিয়ে ফেলেছেন। আপনাদের দলে দু-একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, তাঁরা বহু আগেই মুক্তিযুদ্ধের কথা ভুলে স্বাধীনতার চেতনা বিসর্জন দিয়ে একাত্তরের রাজাকার-আল বদরদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে তাদের খাতায় নাম লিখিয়েছেন। আপনাদের কাছে স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি পালনও ভালো লাগার কথা নয়, জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী পালনও ভালো লাগার কথা নয়।’

আজ বুধবার দুপুরে গাজীপুরের ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (ডুয়েট) স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় যোগ দিয়ে মাহবুব উল আলম হানিফ এসব কথা বলেন। তিনি ওই সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন।

বিজ্ঞাপন
যারা নরেন্দ্র মোদির আগমনে বাধা প্রদান করতে চায়, তারা আসলে দেশের শত্রু। আপনারা যারা জিহাদ জিহাদ করেন, তাঁরা কোথায় ছিলেন যখন মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের নির্যাতন করে পাঠিয়ে দিল। তখন তাদের জিহাদ কোথায় ছিল।
মাহবুব উল আলম হানিফ

শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার অডিটরিয়ামে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা হয়। এতে আরও বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল অনুষদের ডিন মো. কামরুজ্জামান, একই বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরী, ডুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি তাইবুবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক বিনয় ব্যানার্জি প্রমুখ।

ওই আলোচনা সভায় মাহবুব উল আলম হানিফ আরও বলেন, ‘ফরায়েজি আন্দোলন, তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা, মাস্টারদা সূর্যসেন, বাঘা যতীন সবাই পরাধীনতার শৃঙ্খলা থেকে স্বাধীনতার জন্য চেষ্টা করেছে, কিন্তু পারেনি। কিন্তু বঙ্গবন্ধু তাঁর ঐতিহাসিক বক্তব্যের মাধ্যমেই স্বাধীনতার বীজ বপন করেছিলেন, স্বাধীনতার স্বপ্ন সফল করেছিলেন।’ তিনি বলেন, ‘যারা নরেন্দ্র মোদির আগমনে বাধা প্রদান করতে চায়, তারা আসলে দেশের শত্রু। আপনারা যারা জিহাদ জিহাদ করেন, তাঁরা কোথায় ছিলেন যখন মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের নির্যাতন করে পাঠিয়ে দিল। তখন তাদের জিহাদ কোথায় ছিল।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন