বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আফসানার সহপাঠী শামিমা আক্তার বলেন, ‘আমরা একই বিভাগে ছিলাম। আজ ক্যাম্পাসে এসে মনের অজান্তেই তাকে খুঁজে বেড়িয়েছি। পরে মনে পড়ল সে আর আমাদের মাঝে নেই। এরপর শিক্ষকেরা তার ফলাফল ঘোষণা করেছেন। আফসানা জিপিএ-৫ পেয়েছে। কিন্তু তাকে কীভাবে অভিনন্দন জানাব। তার কোনো ঠিকানা তো আমাদের কাছে নেই।’

আফসানা সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার দরগাপাশা ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের আহসান হাবিব ও সাজেদা আলীর দম্পতির বড় মেয়ে। আহসান বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। এ জন্য পরিবার নিয়ে তিনি সিলেট নগরের মিরাবাজার এলাকায় বসবাস করেন।

আহসান বলেন, গত ২৩ নভেম্বর তাঁর মেয়ের পরীক্ষা শেষ হয়। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরই সে বলেছিল জিপিএ-৫ পাবে। ২৪ নভেম্বর সকালের পর হঠাৎ বমি করতে থাকে। সন্ধ্যার দিকে তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে চিকিৎসক বলেছিলেন, বদহজমের কারণে এমনটি হতে পারে। ওষুধপত্রসহ স্যালাইন দেওয়ার জন্য বলা হয়। ২৫ নভেম্বর সকালে মেয়েকে কিছুটা সুস্থ দেখাচ্ছিল। পরে বিকেলের দিকে ফোনে খবর পান, তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। বাড়ি ফিরে দেখেন আফসানার শ্বাসকষ্ট হচ্ছে। সে তখন কথাও বলতে পারছিল না। সঙ্গে সঙ্গে তাকে সিলেটের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে যাওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন