বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শূন্য ভোট পাওয়া সদস্য প্রার্থী আবু তালেব প্রথম আলোকে বলেন, তিনি নিজে ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা মোরগ প্রতীকে ভোট দিয়েছেন। কেউ ভোট না দিলেও নিজের ও পরিবারের সদস্যদের ভোট কোথায় যাবে? ফলাফল ঘোষণার পর আবু তালেবের ছেলে তারিক আজিজ সাংবাদিকদের বলেন, তাঁর বাবা সাবেক ইউপি সদস্য। পাস না করলেও তাঁর বাবা ৩০০ থেকে ৪০০ ভোট এমনিতেই পাবেন। সেই ভোট না পেলেও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের দেওয়া ভোট কোথায় গেল?

প্রথমবার ঘোষিত ফলাফলে পরাজিত সদস্য প্রার্থী রিংকু আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, একজন প্রার্থী একটি ভোটও পাবেন না, এটা হতেই পারে না। অন্তত তাঁর নিজের ভোট তো রয়েছে। তা ছাড়া আবু তালেবের বংশ অনেক বড়। এ ফলাফল তাঁদের চোখ খুলে দিয়েছে। তাঁরা বুঝে গেছেন, ফলাফল ঘোষণায় নিশ্চয় কোনো অনিয়ম হয়েছে। সাধারণ ভোটাররাও বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে চারঘাটের সহকারী কমিশনার (ভূমি), পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আসেন। তাঁরা সবাই সিদ্ধান্ত নেন যে আবার ভোট গণনা করা হবে। রাত ১১টার দিকে সবার সামনে পুনরায় ভোট গণনা করা হয়।

ভোট গণনা শেষে শূন্য ভোট পাওয়া আবু তালেব পান ৮৩ ভোট। ফুটবল প্রতীক নিয়ে ১ হাজার ১১ ভোট পেয়ে রিংকু আহমেদ বিজয়ী হন। যদিও প্রথমবার তিনি ১ হাজার ৬ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছিলেন। প্রথমবার তালা প্রতীকের প্রার্থী নাজিম উদ্দিন পেয়েছিলেন ১ হাজার ২৯ ভোট। প্রথমে তাঁকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে তাঁকে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোষণা করা হয়।

বিজয়ী রিংকু আহমেদ বলেন, ফলাফল সঠিকভাবে ঘোষণার ব্যাপারে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁরা যথেষ্ট সহযোগিতা পেয়েছেন।

ফলাফল পরিবর্তনের বিষয়ে প্রিসাইডিং অফিসার আবদুল জব্বার সাংবাদিকদের বলেন, ব্যালটের একটি বান্ডিল প্রথম গণনায় বাদ পড়েছিল। পরেরবার সেটা খুঁজে পাওয়া যায়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন