বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম বলেন, পেকুয়ার ৬টি ইউপিতে ২৮ নভেম্বর নির্বাচন হবে। প্রতিটি ইউপিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী থাকলেও দলের অনেকে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন। এর মধ্যে তিনটিতে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে বিদ্রোহীরা মাঠে নামলেও অপর তিনটি ইউনিয়নের তিনজন বিদ্রোহী প্রার্থী নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। কেন্দ্রের নির্দেশনা মতে তাঁদের তিনজনকে দল থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এদিকে দল থেকে বহিষ্কার করা হলেও বসে নেই বিদ্রোহী এই তিন চেয়ারম্যান প্রার্থী। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকেও দলের এই তিন প্রার্থী নির্বাচনী প্রচারণা চালান।

নাম প্রকাশ না করার শতে৴ এক বিদ্রোহী প্রার্থী বলেন, টাকার বিনিময়ে এখন অযোগ্যরা দলের মনোনয়ন ছিনিয়ে আনছেন। আর দলের ত্যাগীরা হচ্ছেন বিদ্রোহী। এখন লোক দেখানো বহিষ্কারাদেশ দিয়ে ভোটারদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চলছে।

বহিষ্কার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে রাজাখালী ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান ও দলের বিদ্রোহী ছৈয়দ নুর জানান, বহিষ্কার নিয়ে তিনি বিচলিত নন কারণ, জনগণ তাঁর পক্ষে আছেন। ছৈয়দ নুর বলেন, ‘আমি অনেক আগের বিদ্রোহী। গত ইউপি নির্বাচনেও আমি দলের বিদ্রোহী প্রার্থী ছিলাম, জনগণের ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলাম। এবারও তাই হয়েছে। সুতরাং আমাকে বহিষ্কারের গল্প শুনিয়ে লাভ নেই।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন