বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
ওই ঘটনায় আশিকের ছোট ভাই ইখতেখার আলম নন্দীগ্রামের সুকাশ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হালিম মো. হাসমত আলী ও গ্রেপ্তার তিনজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ছয়-সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।
default-image

সিংড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা শিরিন আকতার বলেন, ইকবালের মাথার আঘাত গুরুতর।
শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক আবদুল ওয়াদুদ জানান, ইকবালের মাথায় বেশ কিছু সেলাই লেগেছে। তবে তিনি এখন আশঙ্কামুক্ত।
ওই ঘটনায় আশিকের ছোট ভাই ইখতেখার আলম নন্দীগ্রামের সুকাশ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হালিম মো. হাসমত আলী ও গ্রেপ্তার তিনজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ছয়-সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। ইখতেখার বলেন, তাঁর ভাই আশিক সিংড়া পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলামের সমর্থক। অন্যদিকে হাসমত আলী সাংসদ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদের সমর্থক। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ ওহিদুর রহমান এ পক্ষের নেতৃত্ব দেন।

আশিকের ছোট ভাই ইখতেখার আলম অভিযোগ করে বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে গত বুধবার শফিকুলের পক্ষে শোক সভার আয়োজন করেন। এতে আশিক কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে যোগ দেন। এতে হাসমতের পক্ষের নেতা-কর্মীরা ক্ষুব্ধ হন। এর জের ধরে আশিককে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাসমত আলী বলেন, তাঁরও বাড়ি লক্ষ্মীখোলা গ্রামে। দিন পাঁচেক আগে জমিতে ঘাস কাটা নিয়ে বিবাদের জের ধরে আশিকের নেতৃত্বে তাঁর পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা হয়। এ ঘটনায় আশিককে আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে। ওই ঘটনার জের ধরে শুক্রবার রনবাঘা বাজারে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়েছে। এর সঙ্গে তাঁর সংশ্লিষ্টতা নেই। রাজনৈতিকভাবে ঘায়েল করতে তাঁকে ষড়যন্ত্রমূলক এ মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত কবীর বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া তিনজনকে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাতে বিষয়টি রাজনৈতিক বিরোধের জের ধরে ঘটেছে বলে জানা গেছে। তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন