বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংঘর্ষের খবর পেয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ বিল্লাল হোসেন, সোনারগাঁ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) গোলাম মুস্তাফা মুন্না ও সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের সাইদুর চৌধুরী মার্কেট এলাকায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হুমায়ুন কবির ভুইয়ার প্রচারণা চলছিল। এ সময় তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন এক যুবক। পারভেজ নামের ওই যুবককে আটক করে গণপিটুনি দেওয়া হয়। পরে তাঁকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

এদিকে জাতীয় পার্টি মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফুল ইসলাম ভুইয়া মাকসুদ তাঁর নেতা-কর্মী নিয়ে বস্তল এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণায় যান। তখন আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সমর্থকেরা মাকসুদের গাড়ির পথরোধ করে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এ সময় দুটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।

খবর পেয়ে মাকসুদের সমর্থকেরা হুমায়ুন কবিরের নেতা-কর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হন। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ৮-১০ রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে। অপর দিকে খবর পেয়ে মাকসুদ আলমের লোকজন পাকুন্দা এলাকায় নৌকার কয়েকটি ক্যাম্প ভাঙচুর করেন। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

আওয়ামী লীগ প্রার্থী হুমায়ুন কবির বলেন, গণসংযোগকালে একজন অস্ত্রধারী তাঁকে লক্ষ্য করে পিস্তল দিয়ে গুলি করার সময় সমর্থকেরা দেখে ফেলেন। পরে তাঁকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।

সোনারগাঁ থানার ওসি হাফিজুর রহমান বলেন, দুই প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ৮-১০ রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। অস্ত্রধারী পারভেজকে মুমূর্ষু অবস্থায় আটক করা হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (খ-অঞ্চল) শেখ বিল্লাল হোসেন জানান, দুই প্রার্থীর নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষ বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন