গত শনিবার দুপুরে জোয়ারে খালপেটুয়া নদীর পানি তিন-চার ফুট বৃদ্ধি পায়। এতে পানির তোড়ে কোকবাসিয়া খেয়াঘাটের দক্ষিণে বেড়িবাঁধে হঠাৎ করে ধস শুরু হয়। শ্রীউলা ইউনিয়নের পুঁইজালা গ্রামের বাসিন্দা আবুল কালাম বলেন, আধা ঘণ্টার মধ্যে ৭০-৭৫ ফুট বাঁধ ধসে বিপজ্জনক আকার ধারণ করে। এ সময় মসজিদের মাইক থেকে ঘোষণা দিয়ে বাঁধের ধস ও ফাটল রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়। পরে স্থানীয় চেয়ারম্যান দীপঙ্কর বাছাড়ের নেতৃত্বে স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধ মেরামতের কাজ করা হয়। এখন পর্যন্ত লোকালয়ে পানি না ঢুকলেও স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।

একই অবস্থা আনুলিয়া ইউনিয়নের নয়াখালী এলাকার বেড়িবাঁধের। নয়াখালী গ্রামের আবদুস সামাদ বলেন, ওই এলাকার বেড়িবাঁধের কয়েকটা স্থানে শনিবার ফাটল দেখা দেয়। রোববার স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল কুদ্দুস ও ইউপি সদস্য আলাউদ্দিন গাজীর নেতৃত্বে স্বেচ্ছাশ্রমে সেখানে বাঁধ মেরামত করেছেন স্থানীয় লোকজন।
এ ছাড়া খোলপেটুয়া নদীর পানির তোড়ে প্রতাপনগর ইউনিয়নের কুড়িকাউনিয়া এলাকায় বাঁধের কয়েকটি স্থান ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

শ্রীউলা ইউপি চেয়ারম্যান দীপঙ্কর বাছাড় বলেন, গ্রামবাসীকে নিয়ে পুঁইজালা এলাকায় বেড়িবাঁধের কয়েকটি স্থানে ধস ও ফাটল মেরামতের চেষ্টা করেছেন তিনি। তবে নদীতে পানির স্রোত বেশি হলে ঝুঁকিপূর্ণ এ বাঁধ রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে। দ্রুত বাঁধ মেরামতের জন্য পাউবো কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

সাতক্ষীরা পাউবোর (বিভাগ-২) নির্বাহী প্রকৌশলী শামিম হুসাইন মাহমুদ বলেন, শ্রীউলা, আনুলিয়া ও কুড়িকাউনিয়ার ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ এলাকা পরিদর্শন করেছেন তিনি। ওই সব এলাকায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে বাঁধ মেরামতে কাজ শুরু করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন