বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দুলাল মিয়ার চার মেয়ে ও এক ছেলে। তিন মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। ছোট মেয়ে জান্নাত পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ত। দুর্ঘটনায় বাবার পা হারানোর কারণে তার পড়ালেখাও বন্ধ। চারজনের সংসারে ৫০–৬০ কেজি চাল, তিন কেজি ডাল, তিন লিটার তেল লাগে।

দুলালের স্ত্রী মেমরাজ আক্তার বলেন, পঙ্গু স্বামীকে নিয়ে দুবেলা খাবার জোটানো এখন দায়, সেখানে মেয়ে কীভাবে পড়বে? সবার ছোট ছেলে শরীফ (১৫) মোটরসাইকেলের গ্যারেজে কাজ করে। সেখান থেকে ১০০–২০০ টাকা পায়। সেটা দিয়েই এখন কোনোরকমে সংসার চলছে। তিনি আরও বলেন, প্রায় সাত মাস আগে স্বামীর পায়ে কাটা গাছ পড়ে যাওয়ায় ঊরু পর্যন্ত ডান পা কেটে ফেলতে হয়। স্বামীকে সুস্থ করতে অনেক টাকা ব্যয় হয়। তাঁরা করোনা মহামারির সময় কোনো সরকারি সহায়তা পাননি। এখন পর্যন্ত তাঁরা টিসিবির ফ্যামিলি কার্ডও পাননি।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রভাব পড়েছে কিশোরগঞ্জ শহরতলির বাকপাড়া এলাকার খোদেজা আক্তারের জীবনেও। ৪ বছর বয়সী এক মেয়ে আর ১২ বছর বয়সী এক ছেলেকে নিয়ে অনেক কষ্টে দিন পার করছেন তিনি। স্বামী মনু মিয়া প্রায় তিন বছর আগে মনু মিয়া মারা যান। খোদেজা বলেন, বড় দুই ছেলে সংসার নিয়ে আলাদা। ছোট ছেলে হোটেল বয়ের কাজ করে। সামান্য আয় হলেও এতে তাঁর সংসার চলে না। আর এখন বাজারের যে অবস্থা, তাতে চলা অনেক কঠিন বলে জানালেন তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন