গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার হেলালপুর গ্রামের সুমন শেখ (৩০), পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার অভিরামপুর গ্রামের বাচ্চু মিয়া (৪৫), দেবত্তর গ্রামের বজলুর রহমান (৩৫), অভিরাম গ্রামের হাসান আলী (২৫), নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলা সদরের শামীম মিয়া (২৫), শরিফুল ইসলাম (৩০) ও বাজিতপুর গ্রামের রফিকুল ইসলাম (৩৫)। তাঁদের মধ্যে সুমনের বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতি ও অস্ত্র আইনে ছয়টি মামলা রয়েছে।

default-image

পুলিশ সুপার মহিবুল ইসলাম খান বলেন, ২০২১ সালের ৬ ডিসেম্বর পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন একটি ডোবায় জাহাঙ্গীর আলম (৬০) নামের এক ইজিবাইকচালকের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এর দুই মাস পর গত ২৪ ফেব্রুয়ারি সদরের মনোহরপুর এলাকার একটি মসজিদের পাশ থেকে রইচ উদ্দিন (৬০) নামের আরও এক ইজিবাইকচালকের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় হত্যা মামলা করা হয়েছে। এর পর থেকেই পুলিশ হত্যার কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে হত্যার পেছনের বিভিন্ন সূত্র উদ্ধার করা হয়। সেই সূত্র ধরেই গত বুধ ও গতকাল রাতে বিশেষ অভিযানে নামে জেলা পুলিশের একটি দল। অভিযানে পাবনা, কুষ্টিয়া, নাটোর ও সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ছিনতাই করা ১২টি ইজিবাইক উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সুপার বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা আশপাশের চার জেলা মিলে একটি ছিনতাই চক্র গড়ে তুলেছিলেন। তাঁরা চালককে খুন করে ইজিবাইক ছিনতাই করতেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা সবাই ছিনতাই চক্রের সদস্য বলে স্বীকার করেছেন। বিস্তারিত তথ্যের জন্য তাঁদের তিন দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। তথ্যপ্রাপ্তি সাপেক্ষে চক্রের সব সদস্যকে শিগগিরই গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) রোকনুজ্জামান ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিনুল ইসলামসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন