ইমো হ্যাক করে প্রবাসীসহ বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে ১৮টি মুঠোফোনসহ ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার রাতে নাটোরের লালপুর ও বাগাতিপাড়া উপজেলা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলার পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে পুলিশ সুপার জানান, জেলার লালপুর, বাগাতিপাড়াসহ আশপাশের উপজেলাগুলোতে একটি সংঘবদ্ধ চক্র ইমো হ্যাক করে প্রবাসীসহ বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এ–সংক্রান্ত বিষয়ে নাটোরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবু সাঈদ ১৯ সেপ্টেম্বর লালপুর থানাকে একটি মামলা করার নির্দেশ দেন। পরের দিন পুলিশ মামলা করে তদন্ত শুরু করে।

বড়াইগ্রাম সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খায়রুল আলমের তত্ত্বাবধানে মামলার তদন্ত শুরু হয়। তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ বুধবার রাতে লালপুর ও বাগাতিপাড়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে লালপুর থেকে জামিরুল ইসলাম (২০), আতিক হাসান (২৩), সিরাজুল ইসলাম (১৯), মো.লালন (২৫), শিপন আলী (২৮), সুমন আলী (১৯), আলম হোসেন (৩৮), পাপ্পু আলী (১৯) এবং বাগাতিপাড়া থেকে সনি আহমেদ (২০), সুরুজ আলী (২০), হারুন অর রশিদ (১৯) ও শিপন আলীকে (১৬) গ্রেপ্তার করা হয়।

দুপুরে তাঁদের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি করা হয়। বেলা দুইটার দিকে তাঁদের লালপুর আমলি আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

জব্দ করা ১৮টি মুঠোফোন পরীক্ষা–নিরীক্ষা করার জন্য সিআইডির ল্যাবে পাঠানো হবে বলে জানান পুলিশ সুপার। তিনি আরও জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মুঠোফোনে ইমো অ্যাপস ব্যবহার করে টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। তবে কার কাছ থেকে কত টাকা তাঁরা আত্মসাৎ করেছেন, তা জানা যায়নি।