বিজ্ঞাপন

গত বছরের ২০ মে আঘাত হানা আম্পানে কয়রা উপজেলার বেড়িবাঁধের মারাত্মক ক্ষতি হয়। জেলার ৯টি উপজেলায় সাড়ে ৮৩ হাজারের মতো ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর মধ্যে শুধু কয়রা উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ির সংখ্যা ছিল ৫১ হাজার। সুন্দরবনসংলগ্ন ওই উপজেলার ১৫৫ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই ঝুঁকিপূর্ণ।

কয়রা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ উদ্দিন বলেন, বাঁধের যেসব জায়গায় আম্পানে ভেঙে গিয়েছিল, সেসব বাঁধের সংস্কারকাজ এখনো শেষ হয়নি। এখন যদি আম্পানের অর্ধেকের সমান জোয়ারের পানি ওঠে, তাহলে আম্পানের চেয়ে বড় কোনো দুর্যোগে পড়বে মানুষ। অনেকেই নিজেদের গুছিয়ে নিতে কাজ করছিলেন, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের কথা শুনে এখন সবাই কাজ বন্ধ রেখেছেন।

খুলনা আবহাওয়া কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ আমিরুল আজাদ প্রথম আলোকে বলেন, আজ রোববার দুপুর ১২টায় ‘ইয়াস’ নিম্নচাপে পরিণত হয়ে মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭১০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপ ও ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। ২৬ মে নাগাদ ওডিশা, পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানতে পারে। যখন লোকালয়ে আঘাত হানবে, তখন জোয়ারের সময় হলে পানির উচ্চতা ৪ থেকে ৫ ফুট বাড়তে পারে। এখন ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্কতাসংকেত দেওয়া হয়েছে।

খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন আজ রোববার প্রথম আলোকে বলেন, এখন ১ নম্বর সতর্কতাসংকেত চলছে। উপকূলীয় এলাকার মানুষ সাধারণত ৭ নম্বর সংকেত না পাওয়া পর্যন্ত ঘর থেকে বের হতে চান না। কিন্তু এরপরও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে আশ্রয়কেন্দ্রগুলো ধুয়েমুছে প্রস্তুত করতে বলা হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী, চিকিৎসক ও অন্যান্য কার্যক্রম গুছিয়ে রাখা হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন