বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল জানান, রাজশাহীর ৯টি উপজেলার মোট ১ হাজার ২৬৭টি পরিবারের বাসগৃহ নির্মাণের জন্য বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১ হাজার ১৪৯টি বাড়ি এখন হস্তান্তর করা হচ্ছে, যার মধ্যে পবায় ১৪০টি, মোহনপুরে ৮৭, তানোরে ১৪৪, গোদাগাড়ীতে ২১১, বাগমারায় ১৪৫, দুর্গাপুরে ১৩০, পুঠিয়ায় ১৬৩, চারঘাটে ৬১ ও বাঘায় ৬৮টি ঘর রয়েছে। বাকি ১১৮টি ঘর হস্তান্তরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, মুজিব বর্ষে এটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ উপহার। এই বৃহৎ কর্মযজ্ঞের জন্য ভিক্ষুক, প্রতিবন্ধী, অসহায় নারী, ষাটোর্ধ্ব প্রবীণ ব্যক্তিদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। খাসজমিতে ব্যারাক নির্মাণের মাধ্যমে ২ শতাংশ খাসজমি বন্দোবস্ত দিয়ে একক গৃহ নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিটি বাড়িতে থাকবে দুটি শোবার ঘর, একটি রান্নাঘর, একটা ইউটিলিটি কক্ষ, একটি টয়লেট ও একটি বারান্দা। দুর্যোগসহনীয় এসব ঘর হবে টেকসই এবং প্রতিটি ঘরেই থাকবে সোলার সিস্টেম ও বজ্রপাত নিরোধক ব্যবস্থা।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, প্রতিটি সেমি পাকা ঘরের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫৯ হাজার টাকা। ইটের দেয়াল, কংক্রিটের মেঝে ও রঙিন টিনের ছাউনি দিয়ে তৈরি সব কটি বাড়ি সরকার নির্ধারিত একই নকশায় হচ্ছে। ঘরগুলো নির্মাণে কোনো প্রকার অনিয়ম–দুর্নীতি যাতে না হয়, সে জন্য প্রতিটি উপজেলায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকসহ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা বিষয়টি তদারকি করেছেন।

২০২০ সালের ৭ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছিলেন যে বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন বা ভূমিহীন থাকবে না। সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মুজিব বর্ষে প্রতিটি গৃহহীন-ভূমিহীন পরিবারই পাচ্ছে দুর্যোগসহনীয় সেমি পাকা ঘর আর সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে ২ শতাংশ জমির মালিকানা। সারা দেশে গৃহহীনদের জন্য ঘর নির্মাণের এই মহাযজ্ঞে রাজশাহীতে প্রথম ধাপে ৬৯২টি ও দ্বিতীয় ধাপে ৮৫৪টি সুদৃশ্য রঙিন টিনশেডের সেমি পাকা বাড়ি পেয়েছেন গৃহহীন ও ভূমিহীনেরা।

সংবাদ সম্মেলন উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মুহাম্মদ শরিফুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জয়া মারীয়া পেরেরাসহ জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন