উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়েছে, ওই মসজিদের দুটি পরিচালনা কমিটি এবং দুজন ইমাম রয়েছেন। গ্রামবাসীর মধ্যে মতবিরোধ থাকায় এ অবস্থা হয়েছে। ঈদের নামাজ আদায়কে কেন্দ্র করে ওই স্থানে দুপক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা রয়েছে। সে জন্য মসজিদটির ৪০০ গজের মধ্যে সব ধরনের সমাবেশ, স্লোগান, মিছিল, শোভাযাত্রা, পিকেটিং, মাইক্রোফোন ব্যবহার, ঢাকঢোল পেটানো, গোলযোগ সৃষ্টি, লাঠিসোঁটা, অস্ত্রশস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্যাদি পরিবহন এবং বেআইনি অনুপ্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যা মঙ্গলবার ভোর পাঁচটা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে নিয়োজিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। একই সঙ্গে মসজিদের ৪০০ গজের মধ্যে বসবাসরত জনসাধারণের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা অব্যাহত থাকবে বলে আদেশে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে ভাওড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন বলেন, গতকাল সোমবার মসজিদের দুই কমিটির পক্ষ থেকে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে সাতটা ও সাড়ে আটটায় আলাদাভাবে ঈদের নামাজের ঘোষণা দেওয়া হয়। খবর পেয়ে তিনি বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেন। কিন্তু তাতে কাজ হয়নি। পরে ইউএনও ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সকাল আটটায় নামাজ আদায়ের সময় নির্ধারণ করেন। কিন্তু নামাজ এবং খুতবা পড়াতে দুজন ইমাম দায়িত্ব পালন করবেন বলে দুই পক্ষ দাবি করে। এ নিয়ে উত্তেজনা শুরু। পরে ইউএনও ১৪৪ ধারা জারি করেন।

চেয়ারম্যান আরও বলেন, দুই পক্ষের লোকজন আজ সকালে অন্য পাড়ার মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন