বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সভায় উপস্থিত একটি সূত্র জানায়, সভার শুরুতে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশিদ মাইক্রোফোন নিয়ে জাপা নেতা নুরুল ইসলামের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, রাজাকারের তালিকায় নাম রয়েছে এমন ব্যক্তিকে নিয়ে সভায় বসবেন না। এ কথা বলে তিনি সেখানে প্রতিবাদ জানাতে থাকেন। এ নিয়ে সভায় গুঞ্জন শুরু হলে জাপা নেতা নুরুল ইসলাম সভাস্থল থেকে বেরিয়ে যান।

রাত সাড়ে আটটার দিকে মুঠোফানে নুরুল ইসলাম বলেন, সভাস্থল থেকে বের হয়ে তিনি উপজেলা পরিষদের ফটক পার হয়ে নিজ বাসায় ফিরে যাচ্ছিলেন। এ সময় কয়েকজন যুবক নানা স্লোগান দিয়ে জনাকীর্ণ স্থানে তাঁর ওপর চড়াও হন। তাঁর পরনের জামাকাপড় ছিঁড়ে ফেলা হয়। ঘটনাটি অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। তিনি বলেন, তিনি কয়েক বছর ধরে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটিসহ নানা কমিটিতে সাংসদের প্রতিনিধি হিসেবে অংশগ্রহণ করে আসছেন। তখন কেউ কোনা অভিযাগ তোলেননি। এখন হঠাৎ এক বিতর্কিত তালিকায় তাঁর নাম থাকা নিয়ে জল ঘোলা করা হচ্ছে।

নুরুল ইসলাম আরও বলেন, ‘এ বিষয়টি তিনি উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ও সাংসদ ফখরুল ইমামকে অবহিত করেছেন। এ বিষয়ে দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব।’

রাজাকারের তালিকায় নাম থাকা প্রসঙ্গে নুরুল ইসলাম বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় ঈশ্বরগঞ্জে কার কী ভূমিকা ছিল, তা এলাকার মানুষ অবগত আছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগ নেতা বজলুর রশিদ বলেন, আগে বিষয়টি তিনি জানতেন না। রাজাকারের তালিকায় নাম থাকার বিষয়টি জানার পর একজন শহীদের ভাই হিসেবে তিনি আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় নুরুল ইসলামের অংশগ্রহণের বিরোধিতা করেছেন। বাইরে কী হয়েছে, তা তিনি জানেন না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন