কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ৫২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এখানে বিপৎসীমা ২৩ দশমিক ৭০ সেন্টিমিটার। পানি প্রবাহিত হচ্ছে ২৪ দশমিক ২২ সেন্টিমিটার। একই সঙ্গে কুড়িগ্রামে ধরলা নদীর পানি বিপৎসীমার ৪১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এখানে বিপৎসীমা ২৬ দশমিক ৫০ সেন্টিমিটার। পানি প্রবাহিত হচ্ছে ২৬ দশমিক ৯১ সেন্টিমিটার।

তিস্তা ব্যারেজের ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার। সেখানে বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে ৫২ দশমিক ৫০ সেন্টিমিটার।

রংপুরের বন্যা উপদ্রুত এলাকা গঙ্গাচড়া উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নের নিচু ও চরাঞ্চল এলাকায় পানি কখনো বাড়ছে, আবার কখনো কমছে। পানি কমে গেলেও মানুষের মধ্যে আতঙ্ক রয়েই গেছে।

ভাঙনকবলিত মানুষ বসতভিটা ভেঙে নিয়ে অন্যত্র সরে যাচ্ছেন। আবার পানি বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় অনেকেই নিরাপদ স্থান বাঁধে ঠাঁই নিয়েছেন।

লক্ষ্মীটারি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল্লাহেল হাদী বলেন, এভাবে নদীর পানি ওঠানামা করায় মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসছে না। তাই আরও কয়েক দিন পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন