বিজ্ঞাপন

নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় ৪০০ ভূমিহীনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর নির্মাণ করা হয়। এর মধ্যে মাহমুদপুর ইউনিয়নে আশ্রয়ণ প্রকল্প-২-এর ১২০টি ঘরের নির্মাণকাজ চলমান। ঘরগুলো আগামী ৩০ জুনের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। প্রতিটি ঘরের নির্মাণব্যয় ধরা হয়েছে দুই লাখ টাকা। এর আগের ঘরগুলোর নির্মাণব্যয় ছিল ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা।

ইটভাটার মালিক ও মিস্ত্রি উভয়ের সমন্বয়ে কিছু নিম্নমানের ইট দিয়ে কাজ চলছিল। পরে সেই ইট তুলে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করেন সাংসদ শিবলী সাদিক।

মুঠোফোনে সাংসদ শিবলী সাদিক প্রথম আলোকে বলেন, ‘ইটভাটার মালিক ও মিস্ত্রি উভয়ের সমন্বয়ে কিছু নিম্নমানের ইট দিয়ে কাজ চলছিল। পরিদর্শনকালে গিয়ে স্বচক্ষে দেখেছি। পরে সেই ইট তুলে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। নির্মাণকাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এস্টিমেট অনুযায়ী পুনরায় কাল ইট আসবে এবং কাজ শুরু হবে।’ তিনি বলেন, এই কাজে সামান্যতম অবহেলা কিংবা অনিয়মের সুযোগ থাকবে না।

নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রেফাউল আজম বলেন, ‘এমপি মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক ওখানে খারাপ ইট যেগুলো ছিল, সেগুলো অপসারণ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে সেই ইটগুলো গাড়িতে করে ভাটায় ফেরত পাঠানো হচ্ছে। তবে নির্মাণকাজ চলমান।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন