বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মো. ফাহিম নামের একজন লিখেছেন, ‘ড্রেনে না পড়লেও ঠিকই তুমি বাইক দুর্ঘটনায় মারা গেলে’। সোহান ইসলাম লিখেছেন, ‘ভাই, তোমার কথার সাথে মিলে গেছে’। আর মো. ইসমাইল লিখেছেন, ‘কী বলব ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না, দোয়া করি যাতে আল্লাহ তোমাকে জান্নাত নসিব করে’।

ফয়সাল চট্টগ্রাম নগরীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পড়ছিলেন। সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হন তাঁর বন্ধু ও ওমানপ্রবাসী আকিব হোসেন। তাঁদের দুজনের বাড়ি রাঙ্গুনিয়া উপজেলার শিলক ইউনিয়নের নটুয়ারটিলা গ্রামে। তবে ফয়সাল চট্টগ্রাম নগরীতে থাকতেন। বাবা আবদুস সালাম ওমানপ্রবাসী। তিন ভাইয়ের মধ্যে ফয়সাল সবার ছোট।

থানা-পুলিশ ও ফয়সালের পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ফয়সালকে নিয়ে তাঁর বন্ধু আকিব গতকাল দুপুরে ফটিকছড়িতে এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। ফয়সাল গাড়ি চালাচ্ছিলেন আর আকিব পেছনে বসেছিলেন। ফেরার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাত আটটার দিকে ফয়সালকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

গতকাল রাত দুইটার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে সাজেদুল ফয়সালের লাশ রাঙ্গুনিয়া গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হয়। তাঁর পরিবার, স্বজন ও গ্রামবাসীর মধ্যে এখন মাতম চলছে। আজ বৃহস্পতিবার জোহর নামাজের পর জানাজা শেষে তাঁর লাশ দাফন করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন