বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার আমতলা গ্রামের ইউনুছ আলী। তিনি আট কেজি ওজনের কাতলা মাছ শিকার করে প্রথম পুরস্কার হিসেবে দুই লাখ টাকা পেয়েছেন।

default-image

সরেজমিনে দেখা গেছে, গতকাল শুক্রবার সকাল ছয়টা থেকে বিকেল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় ৩১ জন শৌখিন মৎস্যশিকারি অংশ নেন। তাঁরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন উপজেলা ছাড়াও হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও ময়মনসিংহ জেলা থেকে এসেছেন। এর জন্য প্রত্যেক শিকারিকে ২২ হাজার টাকা করে আয়োজকদের দিতে হয়েছে। প্রতিযোগীদের জন্য ছিল ৪ লাখ ৮৩ হাজার টাকার সাতটি পুরস্কার।  

আয়োজকদের সূত্র জানায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মেড্ডা এলাকার কমিশনার জামাল হোসেন ৫ কেজি ৩৫০ গ্রাম ও ৩ কেজি ৮৩০ গ্রাম ওজনের কাতলা মাছ শিকার করে দ্বিতীয় ও চতুর্থ হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। একই শহরের কলীশিমা এলাকার হামদু মিয়া ৪ কেজি ৪৯৫ গ্রাম ওজনের কাতলা মাছ শিকার করে তৃতীয় হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৫০ হাজার টাকা।

সদর উপজেলার বুধল ইউনিয়নের নন্দনপুর গ্রামের ফজল মিয়া ৩ কেজি ৪৬৫ গ্রাম ওজনের কাতলা শিকার করে ষষ্ঠ হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৩০ হাজার টাকা। একই গ্রামের মাসুম মিয়া ৩ কেজি ৪৩০ গ্রাম ওজনের কাতলা মাছ শিকার করে সপ্তম হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ২৮ হাজার টাকা। এই প্রতিযোগিতা দেখতে দিঘির চারদিকে প্রচুর দর্শকের সমাগম ঘটে।

ইউনুছ আলী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আজ সারা দিনে মাত্র একটি মাছ পেয়েছি। আজ একটিতেই আমি খুশি। এর আগের আসরে এই দিঘি থেকে মাছ ধরে আমি দুটি পুরস্কার পেয়েছিলাম। তখন ১৫ কেজি ওজনের কয়েকটি মাছ পেয়েছিলাম।’

মৎস্য শিকার প্রতিযোগিতা পরিচালনা করেন উপজেলা শৌখিন মৎস্য শিকার সমিতির সভাপতি রতন বক্স। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা প্রতিবছর উপজেলার চারটি দিঘিতে পালা করে এ আয়োজন করে থাকি। এর অংশ হিসেবে আজকের এ আয়োজন করা হয়েছে।’

রতন বক্স আরও জানান, এর আগে গত ২৮ আগস্ট একই রকম আসর বসেছিল এই দিঘিতে। ওই আসরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার রামরাইল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মশিউর রহমান ৪ কেজি ৩৫০ গ্রাম ওজনের কাতলা মাছ শিকার করে প্রথম হয়েছিলেন। তখন তিনি পেয়েছিলেন দুই লাখ টাকা। ১৫ অক্টোবর একই রকম আসর বসবে সরাইল সরকারি কলেজ দিঘিতে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন