বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ শনিবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে লাইভে এসে কাদের মির্জা এসব কথা বলেন। মোট ৩৭ মিনিট ১৬ সেকেন্ড কথা বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এই ছোট ভাই। কাদের মির্জা বলেন, ‘কমিটি দেওয়ার ক্ষেত্রে যাঁদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাঁরা কখনো বলেন, রমজান মাসের পরে, কখনো কোরবানি ঈদের পর। কখনো বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিদেশে, করোনার প্রাদুর্ভাব বেড়েছে। কখনো বলেন, অমুক নেতা বিদেশে, ২০ তারিখে আসবেন। আবার ওনারাই বলেন, এদিন নয়, সেদিন। মানুষ বাঁচে কয় দিন?’

জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি দিতে এই বিলম্বের পেছনে রহস্য আছে বলে মনে করছেন কাদের মির্জা। তিনি বলেন, ‘এখানে সমস্যা হচ্ছে কমিটির জন্য দায়িত্ব পাওয়া ব্যক্তিরা নোয়াখালীর অপরাজনীতির হোতা, টেন্ডারবাজ, চাকরি–বাণিজ্য করে, প্রশাসনের ওপর প্রভাব খাটায়, ২৬ মায়ের বুক খালি করেছে, হাজারো অপকর্মের হোতার অর্থবলকে ভয় পান। তাঁরা ভয় পান একরামুল করিম–নিয়ন্ত্রিত প্রশাসনকে। এ জন্য তাঁরা আজকে কমিটি দিতে পারছেন না।’

কাদের মির্জা আরও বলেন, অতীতের সখ্যের কারণে একরামুল করিম চৌধুরীর মন রক্ষার চেষ্টা চলছে। নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁর সঙ্গে আপস করার একটা প্রক্রিয়া চলছে। একরামুলের অপরাজনীতির সঙ্গে যাঁরা সম্পৃক্ত, তাঁরাই কাজটা করছেন।

সেনবাগ, বেগমগঞ্জ, সুধারাম, সুবর্ণচরসহ বিভিন্ন এলাকায় জনপ্রতিনিধিদের ইন্ধনে বিভিন্ন সন্ত্রাসী বাহিনীর নানা অপকর্মের ফিরিস্তি তুলে ধরেন কাদের মির্জা। কোথাও কোথাও পুলিশ বাহিনীকে তাঁরা নিজেদের কাজে লাগাচ্ছেন বলে অভিযোগ তাঁর।

বড় ভাই ওবায়দুল কাদেরকে লক্ষ্য করে কাদের মির্জা বলেন, ‘আল্লাহ আপনাদের ক্ষমতা দিছে, দলের সেক্রেটারি হইছেন। কিছু নীতি–নৈতিকতা রাখিয়েন। দেশের মানুষের এই দলটার প্রতি ভক্তি কমে গেলে আমাদের কষ্ট লাগবে আপনাদের কারণে। কত আর চামচা দিয়ে দেশটাকে লুটপাট করবেন?’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন