প্রথম আলো: আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের ভরাডুবি হলো। দৌলতপুরে কি নৌকা থেকে জনগণ মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন?

আসগর আলী: নৌকার জনপ্রিয়তা কমেছে, এটা আমি বিশ্বাস করি না। দৌলতপুর জায়গাটা সব সময় আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। দুর্দিনেও নেতা-কর্মীরা আওয়ামী লীগের সঙ্গে থেকেছে। জনগণ থেকেছে।

প্রথম আলো: তাহলে ভরাডুবির কারণ কী?

আসগর আলী: আমি যেটা বুঝেছি, সেটা হলো আমাদের সমন্বয়ের অভাবেই এমনটি ঘটেছে। তা ছাড়া এটা হতো না।

প্রথম আলো: সদরসহ আরও তিনটি উপজেলার ইউপি নির্বাচন হতে যাচ্ছে। কী ভাবছেন?

আসগর আলী: বাকি যে নির্বাচনগুলো আছে, তা অত্যন্ত সর্তকতার সঙ্গে সমন্বয় করে আমরা নৌকার বিজয় ছিনিয়ে আনব। নৌকার প্রতীক যাঁরা নিয়েছেন বা নেবেন, তাঁদের সঙ্গে সবাই মিলে কাজ করেই বিজয় ছিনিয়ে আনব।

প্রথম আলো: আপনি কি মনে করেন, নৌকা প্রতীক যাঁরা পাচ্ছেন, তৃণমূলের কর্মীদের কাছে তাঁদের গ্রহণযোগ্যতা আছে?

আসগর আলী: অবশ্যই তৃণমূলের কাছে গ্রহণযোগ্য প্রার্থী খুঁজে বের করা হয়। আমাদের নেতা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ আছেন। উনি (হানিফ) যেটা মনে করবেন, তাঁর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আমরা ব্যবস্থা নেব, একসঙ্গে কাজ করব।

প্রথম আলো: দলের মধ্যে বিদ্রোহী প্রার্থীদের দলেরই শীর্ষ নেতারা মদদ দিচ্ছেন, কর্মীদের এমন অভিযোগের বিষয়ে কী বলবেন?

আসগর আলী: আমার এমন কোনো ঘটনা জানা নেই। তবে কর্মীদের অভিযোগ আমলে নেব।

প্রথম আলো: দৌলতপুরের একটি ইউনিয়ন ফিলিপনগর; যেখানে স্থানীয় সাংসদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ ১২ নেতার বাড়ি। জেলা আওয়ামী লীগের এক নেতার বাড়িও সেখানে। সেই ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হেরেছেন। এটা কেন হলো?

আসগর আলী: ওই জায়গা পুরোনো। এটা আমাদের নেতাদের দেখা উচিত, এমপির বাড়ি যে জায়গায়, সেখানে কেন এটা হলো। আমরাও দেখব, কেন এটা হচ্ছে। দলীয় ফোরামে এটা নিয়ে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেব।

প্রথম আলো: নৌকার বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হতে যাঁরা সহযোগিতা করেছেন, তাঁদের ব্যাপারে কোনো ব্যবস্থা নেবেন?

আসগর আলী: অবশ্যই। একটা জিনিস থাকা দরকার যে গঠনতন্ত্র মোতাবেক চলতেই হবে। যাঁরা ইন্ধন দিয়েছেন, দলটাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছেন; তাঁদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নিতে হবে। ব্যবস্থা নেব আশা করি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন